বিজ্ঞাপন

আপনার কিডনি নীরবে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে না তো!

আপনার কিডনি নীরবে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে না তো!

অ+
অ-

কিডনি রোগ নিয়ে মানুষের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো এই যে, এই রোগটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নীরবে কাজ করে। এর মানে হলো, শরীর তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সংকেত দেয় না যে কিছু একটা সমস্যা হচ্ছে। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময়ই মানুষ জানতে পারে যে তাদের কিডনিতে সমস্যা আছে। যখন রোগের লক্ষণগুলো প্রকাশ পেতে শুরু করে, ততক্ষণে ক্ষতি হয়েই যায়। দৈনন্দিন জীবনে এমন কিছু ছোট ছোট কাজ করা হয় যা কিডনির অবস্থার উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড খাওয়া এবং অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ কিডনির উপর অপ্রয়োজনীয় চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

বিজ্ঞাপন

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যথানাশক ওষুধ ব্যবহার কিডনির অবস্থার ওপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে। এটি বিশেষ করে ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, কারণ এই দুটি রোগ কিডনিকে সচল রাখা রক্তনালীকে প্রভাবিত করে।

কিডনির মতো অঙ্গগুলো নিজেদের মানিয়ে নিতে খুব পারদর্শী, তাই যখন এদের কার্যক্ষমতা কমতে শুরু করে, তখনও প্রাথমিক পর্যায়ে শরীর কোনো সুস্পষ্ট সতর্ক সংকেত নাও দেখাতে পারে। ক্ষতি যখন অনেক বেড়ে যায়, কেবল তখনই মানুষ লক্ষণগুলো লক্ষ্য করতে শুরু করে।

পায়ে হালকা ফোলাভাব, অস্বাভাবিক ক্লান্তি, রাতে ঘন ঘন প্রস্রাব বা ক্ষুধামন্দা কখনও কখনও পরে দেখা দিতে পারে, কিন্তু এগুলোকে সামান্য মনে হওয়ায় প্রায়শই উপেক্ষা করা হয়। তবে এমন কিছু কারণ রয়েছে যা কিডনির নীরব ক্ষতি করতে পারে।এর মধ্যে রয়েছে অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, অতিরিক্ত ব্যথানাশক ঔষধ সেবন এবং পরিবারে কিডনির সমস্যার ইতিহাস। এছাড়াও, জীবনযাত্রার কিছু কারণ যেমন অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ, পর্যাপ্ত পানি ও ব্যায়ামের অভাবও কিডনির ক্ষতি করতে পারে।

বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্য পরীক্ষা কিডনি-সম্পর্কিত সমস্যাগুলো প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করতেও সাহায্য করতে পারে। কিডনির স্বাস্থ্য রক্ষা এবং সমস্যাগুলো প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করার জন্য সাধারণ প্রস্রাব ও রক্ত ​​পরীক্ষা সবচেয়ে কার্যকর উপায়গুলোর মধ্যে অন্যতম।

এভাবে প্রাথমিক শনাক্তকরণ, জীবনপনের পরিবর্তন এবং চিকিৎসার মাধ্যমে কিডনি-সম্পর্কিত অনেক সমস্যা এড়ানো সম্ভব। এছাড়াও, রক্তচাপ এবং রক্তে শর্করার মতো অবস্থা পর্যবেক্ষণ করাও কিডনিকে সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করতে পারে।

কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য কোন জীবনযাপনের পরিবর্তনটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে আপনি মনে করেন বিশেষজ্ঞরা? এর উত্তর হলো কম লবণ খাওয়া, শরীরকে আর্দ্র রাখা। তাই কিডনির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে এমন অভ্যাসগুলো বদলে ফেলুন।

বিজ্ঞাপন

এইচএন