স্বাস্থ্য ভালো রাখার অন্যতম সহজ উপায় হলো শরীরকে আর্দ্র রাখা, কিন্তু অনেকেই শুধু পানি পানের পরিমাণের ওপর মনোযোগ দেন। পানি পানের সময়টা বেশিরভাগ সময় উপেক্ষিত হয়। খাবারের সঙ্গে পানি পান করা থেকে শুরু করে একবারে অনেকটা পানি গিলে ফেলা পর্যন্ত, দৈনন্দিন পানি পানের অভ্যাস অনেকরকম হতে পারে। পানি পানের ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করা জরুরি। এবং সেগুলো মোটেই কঠিন কিছু নয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক পানি পান করার সঠিক নিয়ম সম্পর্কে-
গরম পানি দিয়ে দিন শুরু করুন
প্রায় ২০০ মিলি গরম পানি দিয়ে সকাল শুরু করার চেষ্টা করুন। সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথমেই ঠান্ডা পানি পান করলে তা হজম শক্তিকে ধীর করে দিতে পারে। মেটাবলিজম বা বিপাকক্রিয়াকে সাহায্য করার জন্য গরম পানিতে আদা, সৈন্ধব লবণ এবং এক চিমটি দারুচিনি গুঁড়াও মেশাতে পারে।
গোসলের আগে এক গ্লাস পানি পান করুন
গোসলের আগে এক গ্লাস পানি পান করার অভ্যাস করুন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি রক্ত সঞ্চালন উন্নত করতে এবং অজ্ঞান হয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করতে সাহায্য করতে পারে।
খাওয়ার সময় পানি পান করা এড়িয়ে চলুন
খাওয়ার প্রায় ৩০ মিনিট আগে এক গ্লাস এবং খাওয়া শেষ করার প্রায় এক ঘণ্টা পরে আরও এক গ্লাস পানি পান করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। খাওয়ার সময় পানি পান করলে তা হজমকারী এনজাইমগুলোকে পাতলা করে দিতে পারে এবং পেট ফাঁপার কারণ হতে পারে।
সারাদিন ধরে অল্প অল্প করে পানি পান করুন
একবারে বেশি পরিমাণে পানি পান করার পরিবর্তে সারাদিন ধরে অল্প অল্প করে পানি পান করুন। বিকেল ৪টার আগে প্রায় ১.৫ লিটার এবং সূর্যাস্তের মধ্যে আরও আধা লিটার পানি পান করা উচিত। সূর্যাস্তের পরে তৃষ্ণা পেলে অল্প অল্প করে পানি পান করতে পারেন।
ঘুমানোর আগে কতটা পানি পান করা উচিত?
ঘুমানোর আগে আপনার পানি পানের পরিমাণ প্রায় আধা গ্লাসে সীমাবদ্ধ রাখাই সবচেয়ে ভালো। শুধু পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করার দিকেই মনোযোগ দেওয়া উচিত নয়, বরং সঠিক সময়ে পানি পান করার দিকেও মনোযোগ দেওয়া উচিত। গরম পানি দিয়ে দিন শুরু করা থেকে শুরু করে খাবারের সময় পানি এড়িয়ে চলা এবং সারাদিন ধরে অল্প অল্প করে পানি পান করা পর্যন্ত, এইগুলোই হলো পানি পানের সঠিক অভ্যাস।
এইচএন
