বিজ্ঞাপন

সারারাত ঘুমানোর পরও শরীরে ক্লান্তি অনুভব হয় কেন? জানুন ৪ কারণ

সারারাত ঘুমানোর পরও শরীরে ক্লান্তি অনুভব হয় কেন? জানুন ৪ কারণ

ঘুমাচ্ছেন ঠিকই কিন্তু ক্লান্তি কাটছে না, এমন অবস্থার সঙ্গে কম-বেশি সবাই পরিচিত। সাধারণত খুব বেশি পরিশ্রম করলে শরীরে ক্লান্তি অনুভূত হয় তবে বিশেষ কিছু পুষ্টি উপাদানের অভাবেও এমনটি হতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই উপাদানগুলো সম্পর্কে।

যেসব পুষ্টি উপাদানের অভাবে শরীরে ক্লান্তি অনুভূত হয়

ভিটামিন বি : কার্বোহাইড্রেট এবং ফ্যাট থেকে শক্তি বা এটিপি উৎপাদনে ভিটামিন বি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কোনো কারণে ভিটামিনটির অভাব হলে শক্তি উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে, আর তার ফলে ক্লান্তি অনুভূত করা স্বাভাবিক। শরীরে ভিটামিন বি-এর জোগান ঠিক রাখতে হবে এক কাপ টক দই খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন। এছাড়াও দুধ, পনির ও বিভিন্ন রকম বাদামে ভিটামিন বি থাকে।

প্রোটিন : পেশি সবল রাখতে ও দৈনন্দিন কাজের জন্য শক্তি জোগান দিতে প্রোটিনের প্রয়োজন হয়। প্রোটিনের অভাব হলে বার বার খিদে লাগতে পারে, চিনি জাতীয় খাবারের প্রতি আকর্ষণ তৈরি হতে পারে। দিনের পর দিন প্রোটিনের অভাব হলে শরীরের পেশিতে জমা থাকা প্রোটিন ভাঙতে শুরু করে। ফলে দুর্বলতা অনুভূত হয়। এ সমস্যা সমাধানে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় মাছ, মাংস, ডিম, ডাল, দুধ ও সয়াবিন রাখা দরকার। ছোলা ভাজা, অঙ্কুরিত ছোলা এবং মুগডালও প্রোটিনের চাহিদা পূরণে সহায়তা করে। 

ইলেক্ট্রোলাইটস : পানি কম পান করলে, সোডিয়াম-পটাশিয়ামের অভাব হলে শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটসের ভারসাম্য নষ্ট হয় যার ফলেও শরীরে ক্লান্তি আসতে পারে। এছাড়া পানির অভাবে শারীরবৃত্তীয় কাজও থেমে যায়। সেজন্য নিয়মিত ডাবের পানি, রসালো ফল, তরমুজ, শসা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খাওয়া দরকার। শরীরে সোডিয়াম-পটাশিয়ামের মাত্রা ঠিক রাখার জন্য নিয়মিত কলাও খেতে পারেন।

ম্যাগনেশিয়াম : ম্যাগনেশিয়ামের অভাব হলে ঘুমের সমস্যার পাশাপাশি পেশিতে টান ধরতে পারে। ম্যাগনেশিয়াম সারারাত পেশির পুনরুজ্জীবনেও সহায়তা করে। ম্যাগনেশিয়ামের অভাবে শরীরে ক্লান্তিসহ নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। মিস্টি কুমড়ার বীজ, কাঠবাদাম, কাজুবাদামে ম্যাগনেশিয়াম থাকে।

আরএফ