বিজ্ঞাপন

ইসবগুল যেভাবে খেলে বেশি উপকার পাবেন

ইসবগুল যেভাবে খেলে বেশি উপকার পাবেন

ইসবগুল খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে অনেকেরই। আমাদের বেশিরভাগ বাড়িতেই এটি পাওয়া যাবে। বিশেষ করে হজমের সমস্যায় ভুগছেন এমন যে কারও কাছে উসবগুল একটি বিশ্বস্ত নাম। এক চামচ পানিতে মিশিয়ে পান করলেই হয়ে যায়। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আপনি কী সমস্যার সমাধান করতে চাইছেন তার ওপর নির্ভর করে বিভিন্ন উপায়ে ইসবগুল খাওয়া যেতে পারে। অ্যাসিডিটি এবং কোষ্ঠকাঠিন্যসহ বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলায় এটি কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে।

ইসবগুল কী?

ইসবগুল সাইলিয়াম বা ইসপাগুলা নামেও পরিচিত এক ধরনের ডায়েটারি ফাইবার। এটি প্ল্যান্টাগো (Plantago) গণের উদ্ভিদের বীজ থেকে আসে। এই বীজ থেকে মিউসিলেজ তৈরি হয়, যা সাইলিয়ামকে পানি শোষণের বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করে।

সাইলিয়াম প্রধানত কোষ্ঠকাঠিন্য এবং হালকা ডায়রিয়ার চিকিৎসায় ডায়েটারি ফাইবার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি কখনও কখনও খাবার ঘন করার উপাদান হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। যে গাছ থেকে সাইলিয়াম তৈরি হয়, সেগুলো প্রধানত উত্তর ভারতে চাষ করা হয়।

১. ঠান্ডা দুধের সঙ্গে ইসবগুল

যদি অ্যাসিডিটি আপনার উদ্বেগের কারণ হয়, তবে ঠান্ডা দুধের সঙ্গে ইসবগোল খেয়ে দেখতে পারেন। ঠান্ডা দুধের সঙ্গে ইসবগুল খেলে তা পাকস্থলীতে প্রবেশ করে একটি প্রতিরক্ষামূলক আস্তরণ তৈরি করে। এটি পাকস্থলীর অ্যাসিডের কারণে সৃষ্ট অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে। আপনাকে প্রতিবারই সাধারণ পানির সঙ্গে ইসবগোল খেতে হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। কোন সংমিশ্রণটি বেছে নেবেন, তা নির্ভর করে আপনি কী চাইছেন তার উপর।

২. দইয়ের সঙ্গে ইসবগুল

এই সংমিশ্রণটি তাদের জন্য, যারা তাদের মলত্যাগ নিয়ে বেশি চিন্তিত। এই সমস্যা সমাধানে বিশেষজ্ঞরা দইয়ের সঙ্গে ইসবগুল খাওয়ার পরামর্শ দেন। ইসবগুল অতিরিক্ত পানি শোষণ করতে পারে, অন্যদিকে দইয়ের প্রোবায়োটিক অন্ত্রকে সহায়তা করে। তার মতে, এই সংমিশ্রণটি মলের ঘনত্ব উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

৩. লেবু পানির সঙ্গে ইসবগুল

এই উপায়টি তাদের জন্য, যারা সন্ধ্যায় হালকা খাবার খেতে চান। ফাইবার মস্তিষ্কে তৃপ্তির সংকেত পাঠায়, যা গভীর রাত ও সন্ধ্যার ক্ষুধা কমাতে সাহায্য করতে পারে। এই মিশ্রণটি আপনাকে পেট ভরা অনুভব করতে এবং দিনের পরবর্তী সময়ে অপ্রয়োজনীয় খাবার খাওয়া এড়াতে সাহায্য করতে পারে।

৪. গরম পানির সাথে ইসবগুল

কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য গরম পানির সঙ্গে ইসবগুল সবচেয়ে ভালো। সাইলিয়াম তার পানি শোষণ ক্ষমতার কারণে কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য ডায়েটারি ফাইবার হিসাবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। তাই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগলে নিয়মিত গরম পানির সঙ্গে ইসবগুল মিশিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। এতে দ্রুতই উপকার পাবেন।

এইচএন

বিজ্ঞাপন