বিজ্ঞাপন

দূর হোক মানসিক দূরত্ব

দূর হোক মানসিক দূরত্ব

দু’জন মানুষ পাশাপাশি থাকলেও তাদের মনের দূরত্ব হতে পারে শত-সহস্র আলোকবর্ষ সমান! কারণ পাশাপাশি থাকলেই তাকে সব সময় কাছে থাকা বলে না। আবার একজন পুরুষ ও একজন নারীর মানসিক গঠনেও থাকে অনেক অমিল। ফলে দু’জনের ভাবনা সব সময় মেলে না। তাই অপরজনকে বুঝে তার সঙ্গে মানিয়ে নিতে না পারলে তৈরি হতে থাকে মানসিক দূরত্ব। এই দূরত্ব বাড়তে বাড়তে একটা সময় অনেক বেশি দূরে চলে যায়। সেখান থেকে আর ফিরে আসা সম্ভব হয় না। তাই আগেভাগেই কমিয়ে আনতে হবে মানসিক দূরত্ব। যেসব বিষয়ে ছাড় দেয়া যায় সেসবে ছাড় দিয়ে, নিজের ভেতরে ইতিবাচক পরিবর্তন এনে সম্পর্ক সুন্দর রাখা সম্ভব হতে পারে।

Dhaka Post

খোলাখুলি কথা বলুন

কোনো একটি বিষয়ে আপনি যেভাবে ভাববেন, আপনার সঙ্গী সেভাবে না-ও ভাবতে পারেন। ভাবনার এই অমিল থেকেই শুরু হয় বেশিরভাগ ভুল বোঝাবুঝি। তাই কোনো বিষয়ে নিজের মতো না ভেবে সঙ্গীর ভাবনাকেও গুরুত্ব দিন। তার কাছে জানতে চান সে সেই বিষয় সম্পর্কে কী ভাবছে। এরপর আপনার ভাবনাও তার সঙ্গে খোলাখুলি আলাপ করুন। এতে দু’জনেই দু’জনের ভাবনা সম্পর্কে জানতে পারবেন। জোর করে নিজের ভাবনা তার ওপর চাপিয়ে দেবেন না। সঙ্গী যদি তার কোনো মত আপনার ওপর জোর করে চাপিয়ে দিতে চায়, আপনার অপছন্দ হলে তা অবশ্যই মেনে নেবেন না। কোন কারণে বিষয়টি আপনার অপছন্দ তা-ও জানিয়ে দিন। এতে করে ভুল বোঝাবুঝি অনেকটাই কমে আসবে।

Dhaka Post

সব সময় ইতিবাচক থাকুন

আপনি যদি সব সময় ইতিবাচক চিন্তা করেন তবে মন এমনিতেই ভালো থাকবে। কোনোকিছু ঘটলে আগেই মন খারাপ না করে তার ভেতরে ইতিবাচক কিছু আছে কি-না তা খুঁজে বের করুন। তাতে দেখবেন, মনের ভেতরের ভার অনেকটাই কমে আসবে। সঙ্গীর সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা রাখুন। নেতিবাচক কিছু ভাবতে শুরু করলে তা কেবল বাড়তেই থাকবে। ফলস্বরূপ সম্পর্কে দেখা দেবে অশান্তি। নেতিবাচক চিন্তা মানসিক শান্তি কেড়ে নেয়। তাই সুখে থাকতে চাইলে কঠিন সময়েও থাকুন ইতিবাচক। সঙ্গীর খারাপ সময়ে তার পাশে থাকুন। কাঁধে হাত রেখে অভয় দিন। তাকে বোঝান, ভালোবাসা থাকলে খুব সহজেই একটি সুখি জীবন পার করা সম্ভব।

Dhaka Post

মন খুলে প্রশংসা করুন

প্রশংসা করলে মানুষের সৃজনশীলতা বাড়ে। তাই সঙ্গীকে তিরস্কার না করে তার ভালো কাজের প্রশংসা করুন। ছোটখাটো কাজগুলো সম্পর্কেও ইতিবাচক কথা বলুন। এতে সে ভালো কাজে আরও আগ্রহী হবে। আপনার মুখের একটুখানি কথাই হয়তো তার কাছে অনেক দামী। নিজেকে সেভাবে প্রকাশ করুন। আপনি যখন তার প্রশংসা করবেন, বিনিময়ে সেও কিন্তু প্রশংসাই করতে শিখবে। এতে করে কমবে মানসিক দূরত্ব, বাড়বে পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা। মানুষটি আপনার কাছে কতটা মূল্যবান তা কথায় এবং কাজে বোঝান। এতে করে সে আপনাকে নিজের একজন বলে ভাবতে পারবে। 

এইচএন

বিজ্ঞাপন