উদ্বোধনের ২৪ ঘণ্টা পরও প্লে-স্টোরে নেই ‘রেল সেবা’ অ্যাপ

Dhaka Post Desk

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৩ জুন ২০২২, ০৫:৫৫ পিএম


উদ্বোধনের ২৪ ঘণ্টা পরও প্লে-স্টোরে নেই ‘রেল সেবা’ অ্যাপ

যাত্রীদের সুবিধার্থে ওয়েব সাইটের পাশাপাশি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলে ট্রেনের টিকিট কাটার অ্যাপ তৈরি করেছে রেলের টিকিট বিক্রির সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘সহজ-সিনেসিস-ভিনসেন জেভি’।

বুধবার (২২ জুন) রাজধানীর রেল ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ঘটা করে ‘রেল সেবা’ নামক ওই অ্যাপের উদ্বোধন করেন রেলমন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন। কিন্তু গত ২৪ ঘণ্টাতেও অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপের প্ল্যাটফর্ম গুগল ‘প্লে স্টোরে’ খুঁজে পাওয়া যায়নি অ্যাপটি।

এদিকে উদ্বোধনের পর অ্যাপটি প্লে-স্টোরে না পেয়ে অনেকটা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রেলের সেবা প্রত্যাশী মানুষজন। তারা বলছেন, উদ্বোধনের পর এতো দীর্ঘ সময়েও অ্যাপটি না পাওয়া দুঃখজনক। প্লে-স্টোরে অনেকগুলো রেল সেবা অ্যাপ আছে, কী করে বুঝবো কোনটা আসল বা নকল। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, দ্রুত সময়ের মধ্যেই এটি পাবলিশ হয়ে যাবে।

প্লে-স্টোর খুঁজে দেখা গেছে, শুধুমাত্র রেল সেবা নামে ১৭টি অ্যাপ (আন অথরাইজড) রয়েছে। এছাড়া কাছাকাছি নামে আছে আরও বেশ কয়েকটি অ্যাপ। প্রত্যেক অ্যাপের কাভার ফটোতে আছে বাংলাদেশ রেলওয়ের লোগো। অন্যদিকে, প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষের ফেসবুক গ্রুপ ‘বাংলাদেশ রেলওয়ে ফান গ্রুপে’ও এটি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। কেউ আসল অ্যাপটির লিংক খুঁজছেন, কেউ আপডেট জানতে চাচ্ছেন আবার কেউ ধৈর্য ধরার পরামর্শ দিচ্ছেন।

২৪ ঘণ্টা পরেও কেন অ্যাপটি প্লে-স্টোরে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহজ ডট কমের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফারহাত আহমেদ ঢাকা পোস্টকে বলেন, গতকাল রেলমন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন উদ্বোধন ঘোষণার পরপরই আমরা অ্যাপটি গুগল কর্তৃপক্ষের কাছে সাবমিট করে দিয়েছি। যেহেতু প্লে-স্টোরে অনেক ফেইক অ্যাপ রেল সেবার, এজন্য অ্যাপটি পাবলিশ করতে গুগল সময় বেশি নিচ্ছে। নরমালি একটা অ্যাপ সাবমিট করলে ২/৩ ঘণ্টার মধ্যেই গুগল তা পাবলিশ করে দেয়।

তিনি আরও বলেন, রেলওয়ের সঙ্গে আমাদের প্ল্যান ছিল মন্ত্রী উদ্বোধন করার আগে আমরা সাবমিট দেবো না। যদি আমরা আগেই সাবমিট দিয়ে দিই এবং গুগল যদি পাবলিশ করে তাহলে তো সবাই উদ্বোধনের আগেই পেয়ে যাবে। যেহেতু এটা সরকারি অ্যাপ সেক্ষেত্রে তারা যাচাই-বাছাই করতে সময় নিচ্ছে। এখন পর্যন্ত বলা যাচ্ছে না কত সময় লাগবে অ্যাপটি পাবলিশ হতে। কারণ, আমাদের সব কাজ শেষ। বাকিটুকু ওদের ওপর নির্ভর করছে।

এমএইচএন/এসএম

Link copied