‘ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান থেকে কোনভাবেই কমপ্লায়েন্স পাচ্ছি না’

Dhaka Post Desk

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৬ আগস্ট ২০২২, ১২:৩৯ পিএম


ঢাকা বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (বিআরটি) প্রকল্পের ঠিকাদারদের কাছ থেকে কোনো ভাবেই কমপ্লায়েন্স (নিরাপত্তা ব্যবস্থা) পাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, এখানে দুটি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। তারা দুটি চাইনিজ প্রতিষ্ঠান। আমরা এর আগেও জেনেছি, তারা লোকবল কম রেখে, ইকুইপমেন্ট কম ব্যবহার করে কাজটা শুধুমাত্র রানিং রাখে। কিন্তু ওই রকম স্পিড থাকে না। কমপ্লায়েন্সের ক্ষেত্রেও একই কথা। 

মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) উত্তরার জসীমউদ্দীনে গার্ডার দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলামসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, শুধু আমরা না সিটি করপোরেশন, মিনিস্ট্রি প্লাস এডিবি যার যতটুকু ক্ষমতা আছে সবাই কমপ্লায়েন্সের বিষয়ে প্রেসার দিয়ে যাচ্ছে। দুঃখের বিষয় হলেও মেয়র মহোদয় যে বলেছেন, আমাদের কাজে খাম-খেয়ালিপনা হচ্ছে। সেটা আমরা ঠিকাদারদের কাছ থেকে পেয়েছি। কোনভাবেই তাদের কাছ থেকে কমপ্লায়েন্স পাচ্ছি না। কম্পায়েন্স বা সিকিউরিটি একেবারেই নাই তা কিন্তু না, আছে। তা হয়তো ইন্টারন্যাশনাল যেভাবে করার কথা সেটা হচ্ছে না। শুধু এটা না, আরও কয়েকটা ঘটনা ঘটেছে।

তিনি বলেন, আমাদের তদন্ত কমিটির সদস্য সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। তারা রাতভর কাজ করে একটি প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন সচিব মহোদয়ের বরাবর সাবমিট করেছেন। সচিব মহোদয় একনেক মিটিংয়ে আছেন। সেখান থেকে এসে তিনি এটি পাবলিস্ট করবেন।

একই সময় ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম ঢাকায় বিআরটি প্রকল্পের কাজ বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ঢাকায় বিআরটি, মেট্রোরেলসহ অনেকগুলো প্রকল্পের কাজ চলছে। সব প্রকল্পের পরিচালকদের আগামী বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) নগর ভবনে ডাকা হয়েছে। তারা নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করলেই কাজ শুরু করতে পারবে। 

সোমবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর উত্তরায় বিআরটি প্রকল্পের ফ্লাইওভারের গার্ডার চাপায় প্রাইভেট কারে থাকা শিশুসহ পাঁচ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন দুই জন। প্রাইভেটকারটিতে একই পরিবারের সাত সদস্য ছিলেন।

নিহতরা হলেন- রুবেল (৬০), ফাহিমা (৪০), ঝরনা (২৮), ঝরনার দুই সন্তান জান্নাত (৬) ও জাকারিয়া (২)। ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। শুধু বেঁচে গেছেন হৃদয় ও রিয়ামনি নামের নবদম্পতি।

এমএইচএন/এএসএস/এসএম

টাইমলাইন

Link copied