হাসপাতাল উধাওয়ের খবর মিথ্যা : স্বাস্থ্য ডিজি

Dhaka Post Desk

নিজস্ব প্রতিবেদক

১১ এপ্রিল ২০২১, ১৫:০৮

হাসপাতাল উধাওয়ের খবর মিথ্যা : স্বাস্থ্য ডিজি

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলায় বসুন্ধরায় প্রায় ৩১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হাসপাতাল উধাও হয়ে যাওয়ার খবরটি মিথ্যা বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম। তিনি বলেন, একটি বেসরকারি টেলিভিশন এ নিয়ে মিথ্যা ও মনগড়া প্রতিবেদন প্রচার করেছে।

রোববার (১১ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বসুন্ধরা কোভিড হাসপাতালটি ছিল একটি অস্থায়ী হাসপাতাল। হাসপাতালগুলোতে কোভিড রোগীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় বেসরকারি বিভিন্ন হাসপাতালের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তি বাতিল করে সরকার। সে অনুযায়ী তারা হাসপাতাল তুলে নিতেই পারে।

তিনি জানান, গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর এই হাসপাতালটি বন্ধ ঘোষণা করার নির্দেশনা দেয় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। কোভিড-১৯ সংক্রমিতদের চিকিৎসার বিষয়ে বসুন্ধরা গ্রুপের সঙ্গে করা সমঝোতা স্মারকও বাতিলের কথা বলা হয় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের চিঠিতে।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব ড. বিলকিস বেগম স্বাক্ষরিত ‘জরুরি’ এক চিঠিতে চুক্তি বাতিলের কথা বলা হয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারকে কোভিড-১৯ ডেডিকেটেড হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। বর্তমানে হাসপাতালটিতে করোনাভাইরাস সংক্রমিত রোগী ভর্তি উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাওয়ায় সরকারকে বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ করতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। একইসঙ্গে বসুন্ধরার হাসপাতালটিতে চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত সব চিকিৎসক, নার্স ও অন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের ফেরত এনে বদলি বা পদায়ন করা হবে। 

এছাড়া চিঠিতে হাসপাতালটিতে থাকা ২ হাজার ৩১টি জেনারেল বেড, ৭১টি আইসিইউ বেড, ১০টি ভেন্টিলেটর এবং যাবতীয় আসবাবপত্রসহ আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র ফেরত দিতে বলা হয়েছিল।

গত বছরের মার্চে দেশে নতুন করোনাভাইরাস সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার পর সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালকে এ রোগের চিকিৎসা সেবায় যুক্ত করে সরকার। একই বছর ১৭ মে রাজধানীর কুড়িলে বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারের সামনের খালি জায়গায় অস্থায়ী এ হাসপাতাল চালু হয়। সেদিন এ হাসপাতালের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

টিআই/জেডএস/জেএস

Link copied