• সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
    জেলার খবর
  • খেলা
  • বিনোদন
  • জবস

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

  1. জাতীয়
ট্রেনে লাগানো আগুনে মা-ছেলের করুণ মৃত্যু

মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও সন্তানকে বুকে জড়িয়ে রাখেন নিহত পপি

সৈয়দ আমানত আলী
১৯ ডিসেম্বর ২০২৩, ১৬:২৩
অ+
অ-
মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও সন্তানকে বুকে জড়িয়ে রাখেন নিহত পপি

মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও তিন বছরের শিশু সন্তান ইয়াসিনকে বুকে জড়িয়ে পুড়ে মারা গেলেন নাদিরা আক্তার পপি (৩৫)। আগুনের হাত থেকে বাঁচতে ট্রেন থেকে নামার চেষ্টা করেও ভিড় ও ধোঁয়ার কারণে নামতে পারেননি মা-ছেলে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) ভোরে রাজধানীর তেজগাঁও রেলস্টেশনে মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে পুড়ে মারা যান নারী-শিশুসহ চারজন। তাদের মধ্যে আছেন পপি ও তার ছেলে।

ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে নিহত পপির ভাই হাবিবুর রহমান বলেন, নেত্রকোণা থেকে ঢাকায় ফিরছিলাম একই পরিবারের ৯ জন। সোমবার রাতে ট্রেনে উঠি। বিমানবন্দর স্টেশনে আমাদের মধ্যে ৫ জন নেমে যান। ট্রেন বিমানবন্দর থেকে কমলাপুরের উদ্দেশে রওনা করে। আমরা 'জ' বগিতে ছিলাম। হঠাৎ ধোঁয়ায় ভরে যায় কামরা। ‘আগুন আগুন’ বলে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হয় চারদিকে। তেজগাঁও স্টেশনে ট্রেন থামতে থামতে সবাই হুড়োহুড়ি করে নেমে যান। এর মধ্যে আমার বড় ভাগিনা মাহিমকে নিয়ে আমিও নেমে যাই। কিন্তু আমার বড় বোন নাদিরা আক্তার পপি ও তিন বছরের ছোট ভাগিনা ইয়াসিন বের হতে পারেনি।

আরও পড়ুন

তেজগাঁওয়ে রেল দুর্ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি
হঠাৎ লাইন থেকে চাকা পড়ে গেল, ঝাঁকুনি খেয়েও ব্রেক কষলাম
ট্রেনে আগুন : নিহতদের মধ্যে ২ জনের পরিচয় মিলেছে

বিজ্ঞাপন

তিনি জানান, আগুন নেভানোর পর চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মধ্যে আমার বোন ও ভাগনে ছিল। যখন আমার বোনের মরদেহ উদ্ধার করা হয় তখনও তার বুকে জড়ানো ছিল আমার ভাগনে। দুজন একসঙ্গে পুড়ে মারা গেছে।

এসব কথা বলছিলেন আর কান্নায় ভেঙে পড়ছিলেন হাবিবুর রহমান।

নিহত পপির স্বামী মিজানুর রহমান জানান, আমি পেশায় হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী। নেত্রকোণা গ্রামের বাড়িতে ঘুরতে গিয়েছিল আমার পরিবার। ব্যবসার কাজের জন্য আমার যাওয়া হয়নি তাদের সঙ্গে।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, আমার শ্যালক হাবিব ফোন দিয়ে জানায় ট্রেনের তিনটি বগিতে আগুন দেওয়া হয়েছে। শ্যালক ও আমার বড় ছেলে নামতে পারলেও ধোঁয়ার কারণে আটকা পড়ে আমার স্ত্রী ও ছোট ছেলে। আমি ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে দেখি আমার শিশু সন্তানকে কোলে জড়িয়ে ধরে আছে স্ত্রী। তাদের দুজনের শরীর পুড়ে অঙ্গার হয়ে গেছে।

dhakapost

চিৎকার করে কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, আমি কী অপরাধ করেছি? কী থেকে কী হয়ে গেল... কিছুই বুঝতে পারছি না। আল্লাহ, আমার তো সব শেষ হয়ে গেল। আমি কার কাছে বিচার দেব, আমার ছেলে আর স্ত্রীকে তো আর ফিরে পাব না..।

এসএএ/পিএইচ

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

ঢাকা সিটিডিএমসিট্রেন চলাচলট্রেন দুর্ঘটনামৃত্যু

ফলো করুন

MessengerWhatsAppGoogle News

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

প্রস্তুত জাতীয় ঈদগাহ, প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায়

প্রস্তুত জাতীয় ঈদগাহ, প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায়

শহীদ মিনারে পূর্ব শত্রুতার জেরে গুলিতে ও ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

শহীদ মিনারে পূর্ব শত্রুতার জেরে গুলিতে ও ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

বিআরটি প্রকল্পের আবদুল্লাহপুর অংশের সংস্কার কাজ দ্রুত শেষের তাগিদ

বিআরটি প্রকল্পের আবদুল্লাহপুর অংশের সংস্কার কাজ দ্রুত শেষের তাগিদ

ঈদ সাজে হালকা গহনার কদর, চুড়ি-নাকফুল-ব্রেসলেটে রঙিন বাজার

ঈদ সাজে হালকা গহনার কদর, চুড়ি-নাকফুল-ব্রেসলেটে রঙিন বাজার