বিজ্ঞাপন

‘নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শ্রম সংস্কার সুপারিশ প্রণয়ন করতে পারব’

‘নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শ্রম সংস্কার সুপারিশ প্রণয়ন করতে পারব’

শ্রম সংস্কার কমিশন প্রধান সুলতান উদ্দিন আহম্মদ বলেছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আমরা সুপারিশ প্রণয়ন করতে পারব। তিনি সবাইকে তাদের লিখিত মতামত ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে কমিশনে জমা দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে শ্রম ভবনে শ্রম সংস্কার কমিশনের সঙ্গে শ্রম অধিকার, মানবাধিকার ও নারী অধিকার সংগঠনগুলোর নেতাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মতবিনিময় সভায় প্রতিনিধিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, মাঠ পর্যায়ের শ্রমিকদের নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা তুলে ধরার জন্যই আজকে তাদের সঙ্গে এই সভা। সকলের মতামত নেওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।  

শ্রম সংস্কার কমিশন প্রধান সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহম্মদের নেতৃত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন ড. মাহফুজুল হক, শাকিল আখতার চৌধুরী, তাসলিমা আখতার, অ্যাডভোকেট এ কে এম নাসিম, চৌধুরী আশিকুল আলম, রাজেকুজ্জামান রতন, অনন্য রায়হান, আরিফুল ইসলাম। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন নারী প্রবর্তনার সীমা দাস শিমু, নারী সংহতির রেবেকা নীলা, ডেমোক্রেসি ওয়াচের সানজিদা লিপি, বিলস এর কোহিনূর মাহমুদ ও নাজমা আক্তারসহ নারী নেতারা। 

সভায় বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা তাদের সুপারিশগুলো মৌখিকভাবে উপস্থাপন করে এর প্রয়োজনীয়তা বর্ণনা করেন। 

তাদের বিভিন্ন সুপারিশের মধ্যে নারীর মাতৃত্বকালীন ছুটি, কর্মজীবী নারী শ্রমিকের জন্য পর্যাপ্ত ডে কেয়ার, যৌন নিপীড়নের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ, শ্রমিকের ন্যায়বিচার প্রাপ্তির নিশ্চয়তা, পেশাগত নিরাপত্তা, শ্রমিকের নিরাপত্তা, যৌন কর্মীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, প্রাতিষ্ঠানিক শ্রমিকদের ডেটাবেজ তৈরির কথা সুপারিশ হিসেবে এসেছে। 

আলোচকরা বলেন, সরকার যে শ্রম আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে, তা সমর্থনযোগ্য। তবে কমিশনের এসব সুপারিশ যেন শুধু কাগজ কলমেই না থাকে, শ্রম আইনে যেন এই সুপারিশ প্রতিফলন থাকে, সেদিকে নজর রাখতে হবে। সবাই এই সুপারিশের বাস্তবায়ন দেখতে চান। এই সুপারিশ বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব সরকারের।

জেডএস