বিজ্ঞাপন

বছরের প্রথম দিনে খুলল এস আলমের বন্ধ কারখানাগুলো

বছরের প্রথম দিনে খুলল এস আলমের বন্ধ কারখানাগুলো

শিল্পগ্রুপ এস আলমের মালিকানাধীন বন্ধ ঘোষণা করা কারখানাগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১ জানুয়ারি) ৭টি কারখানার পাশাপাশি এগুলো সচল রাখতে গড়ে তোলা ২টি বিদ্যুৎ কারখানাও খুলে দেওয়া হয়। তবে খুলে দেওয়া কারখানাগুলো কতদিন চালু থাকতে পারে তা নির্দিষ্ট করে জানা যায়নি।

খুলে দেওয়া কারখানাগুলো হচ্ছে- এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, এস আলম পাওয়ার প্ল্যান্ট লিমিটেড, এস আলম স্টিলস লিমিটেড, এস আলম ব্যাগ ম্যানুফ্যাকচারিং মিলস লিমিটেড, চেমন ইস্পাত লিমিটেড, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস লিমিটেড, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস লিমিটেড (এনওএফ), এস আলম পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেড এবং ইনফিনিটি সিআর স্টিপস লিমিটেড লিমিটেড।

এস আলম গ্রুপের মানবসম্পদ ও প্রশাসন প্রধান মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন ঢাকা পোস্টকে, লোকাল এলসির মাধ্যমে বা বিভিন্ন ধরনের লোন করে চালানোর চেষ্টা করছি। সামনে রমজান। এসময় যাতে ভোগ্যপণ্যের খুব বেশি সমস্যা না হয় এবং মানুষের যাতে কষ্ট না হয়। এজন্য আমরা চট্টগ্রামের কর্ণফুলীর ৯টি কারখানা খুলে দিচ্ছি। 

ঢাকার গ্যালকো স্টিল খুলে দেওয়া হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেখানে প্রোডাকশন আমরা বন্ধ রাখিনি। কারখানার একটি অংশ বন্ধ ছিল। কিন্তু আমরা অফিসিয়ালি প্রজ্ঞাপন দিয়ে কারখানাটি বন্ধ করিনি। একারণে এটা হিসেবের মধ্যে আসবে না।

এর আগে গত ২৪ মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিনের সই করা একাধিক প্রজ্ঞাপনে কারখানাগুলো বন্ধের প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়- কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে অনিবার্যকারণবশত আগামী ২৫ ডিসেম্বর থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কারখানাগুলো বন্ধ থাকবে। তবে, নিরাপত্তা বিভাগ, ডেলিভারি সেকশন ও জরুরি বিভাগ (ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত মোতাবেক) খোলা থাকবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বন্ধ ঘোষণা হওয়া কারখানাগুলোতে কর্মকর্তা ও শ্রমিক মিলিয়ে অন্তত ১২ হাজার লোক কাজ করেন। এলসি খোলার ক্ষেত্রে কোনো ব্যাংক যথাযথ সহযোগিতা না করায় প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানি সম্ভব হচ্ছে না জানিয়ে কারখানাগুলো বন্ধ ঘোষণা করেছিল কর্তৃপক্ষ। এরপর ওইদিনই কয়েকটি কারখানায় শ্রমিকরা বিক্ষোভ করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে এবং কর্তৃপক্ষের আশ্বাস পেলে বিক্ষোভ স্থগিত করে শ্রমিক-কর্মকতারা।

এমআর/জেডএস