বিজ্ঞাপন

উত্তরায় বিমান বিধ্বস্ত

ঝরে গেল আরও একটি ফুল, না ফেরার দেশে মাহাতাব

ঝরে গেল আরও একটি ফুল, না ফেরার দেশে মাহাতাব

উত্তরায় বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের পর চারদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে না ফেরার দেশে চলে গেল শিশু মাহাতাব (১২)।

আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) মারা যায় সে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান। 

মাহতাব রহমান ভূঁইয়া উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় তার শরীরের ৭০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে চিকিৎসাধীন ছিল মাহতাব। 

মাহতাবের পৈত্রিক নিবাস কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার রাজামেহার ইউনিয়নে। তার বাবার নাম মিনহাজুর রহমান ভূঁইয়া।  

শাওন বিন রহমান বলেন, আজ দুপুরের দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাহাতাব আইসিইউতে মারা যায়। তার শরীরের ৮৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। গতকাল রাতে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। এর আগে আমাদের জাতীয় বার্নে আরো ১১ জন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। 

সরকারের গতকাল পর্যন্ত দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এই বিমান দুর্ঘটনায় ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। সে হিসেবে মাহাতাবকে দিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩০ জনে। 

তবে আন্তঃবাহনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) গতকাল পর্যন্ত তথ্য অনুযায়ী মৃতের সংখ্যা ছিল ৩১। সে হিসেবে মাহাতাবকে দিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩২ জনে। 

এসএএ/এনএফ