সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতিতে নাজেহাল জনজীবন, সরকারের নিষ্ক্রিয় থাকার সুযোগ নেই

দক্ষিণ এশিয়ার সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতিতে নাজেহাল জনজীবন, নির্বাচনের কারণে সরকারের নিষ্ক্রিয় থাকার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও দলের মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান সোমবার (১২ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে বলেন, জাতিসংঘের অর্থনীতি ও সামাজিক সম্পর্ক বিভাগের এক প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে যে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি মূল্যস্ফীতি বিরাজমান। সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতির দিক থেকে ২০২৫ সালে বাংলাদেশ শীর্ষে ছিল। ২০২৬ সালেও বাংলাদেশে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি থাকবে। ২০২৫ সালে বাংলাদেশের গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৯ শতাংশ, যা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।
তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতি সরাসরি মানুষের খাদ্যে প্রভাব ফেলে। মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের খাবারের তালিকা থেকে পুষ্টি হারিয়ে যায়। নির্ধারিত আয়ের মানুষ ও নিন্ম আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত মূল্যস্ফীতির কারণে। সেজন্য সরকারকে এই বিষয়ে সক্রিয় হতে হবে। নির্বাচনের অজুহাতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের নিষ্ক্রিয় থাকার কোনো সুযোগ নেই।
মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, সাম্প্রতিক শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানেও ভয়াবহ মূল্যস্ফীতি হয়েছিল। তবে তারা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছে। বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতি কেন নিয়ন্ত্রণ করা গেলো না তার কারণ জাতি জানতে চায়। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের নাগরিকদের কেন সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতিতে নাজেহাল হতে হবে?
রাজনৈতিক সরকারের সময় মধ্যস্বত্বভোগী, চাঁদাবাজ, অতিমুনাফাখোর ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্যের কথা আমরা জানি। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশেও কেন মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা তা জাতি জানতে চায়।
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর হউন। মানুষের পেটে খাবার না থাকলে কোনো সংস্কার, কোনো নির্বাচন মানুষকে আকৃষ্ট করে না।
জেইউ/জেডএস