বিকল্প দেশ থেকে আনা হচ্ছে এলপিজি, রমজানের আগেই সমাধান: জ্বালানি উপদেষ্টা

ইরান থেকে আসা এলপিজির জাহাজগুলোর ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশের বাজারে এলপিজির সংকট হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
তিনি বলেছেন, বিকল্প দেশ থেকে এলপিজি আনা হচ্ছে। রমজানের আগেই সমস্যার সমাধান মিলবে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান।
উপদেষ্টা বলেন, যারা এলপিজি আমদানি করেন গতকাল আমরা সবার সঙ্গে বসেছিলাম। কোম্পানিসহ বড় আমদানিকারকদের সঙ্গে বসেছিলাম। বিঘ্নটা হলো কেন? সমস্যার কারণ হিসেবে তারা জানিয়েছে, আগে আমাদের দেশে ইরান থেকে এলপিজি আসত। এগুলো আগেও আমাদের জানিয়েছিল যেহেতু যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা আছে। তো এবার তারা নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার জন্য যে জাহাজগুলো ইরানি এলপিজি বহন করত, সেগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এখন তারাই তো এই অঞ্চলে এলপিজি আনে, এজন্যই সমস্যাটা হয়েছে। এখন তারা বিকল্প উৎস থেকে আনছে।
রমজানের আগেই এলপিজি সংকটের সমস্যার সমাধান হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
এলজিপি যারা বিক্রি করে তারা রিসিট দেয় না— এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, মোবাইল কোর্ট করে আমরা চেষ্টা করছি যতটা কমানো যায়। আমাদের সামর্থ্যের মধ্যে যতটা সম্ভব সব চেষ্টা করা হচ্ছে, গ্রাহক যাতে এলপিজি কম দামে পায়।
সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, এটার মূল সমস্যা হয়ে গেছে— এলপিজি যেহেতু বেসরকারি খাত এখানে সরকারি কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। বিইআরসির মাধ্যমে এটার মূল্য সমন্বয় হয়। আমরা এলপিজির আমদানি আগে থেকে মনিটরিং করতাম না। এখন চিন্তা করছি বিইআরসি ও জ্বালানি বিভাগের মধ্যে একটা সিস্টেম ডেভেলপ করব, যাতে করে আগাম বুঝতে পারি।
এসএইচআর/এমজে