বিজ্ঞাপন

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

গাজায় ‘শান্তিরক্ষী’ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেবে পরবর্তী সরকার

অ+
অ-
গাজায় ‘শান্তিরক্ষী’ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেবে পরবর্তী সরকার

গাজায় শান্তি মিশনে বাংলাদেশের সেনা পাঠানোর সম্ভাবনা এখনই বাস্তব রূপ নিচ্ছে না। ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ এবং প্রস্তুতির অভাবের কথা উল্লেখ করে অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন জানিয়েছেন, এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে আগামী দিনের নির্বাচিত সরকার।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “গাজায় ফোর্স পাঠানো নিয়ে সত্যিকার অর্থে এখনও কোনো অগ্রগতি হয়নি। বর্তমানে শুধু একটি সম্ভাবনা আছে যে, বাংলাদেশ এর অংশ হতে পারে; এর চেয়ে বেশি কিছু নয়। বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত বা ‘ক্রিস্টালাইজ’ হয়নি। কয়েকটি দেশ ইতোমধ্যে আগ্রহ ব্যক্ত করলেও দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আপত্তির বিষয়ও রয়েছে।”

dhakapost

‘পুরো বিষয়টি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এটি কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তাই পরবর্তী সরকার স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে তারা এ ব্যাপারে কী পদক্ষেপ নেবে’— যোগ করেন উপদেষ্টা।

বিজ্ঞাপন

অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদের শেষ সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তিগুলো পরবর্তী সরকারের জন্য ‘বোঝা’ হবে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘আমি উল্টোটা মনে করি। আমরা অনেক অমীমাংসিত ইস্যু এগিয়ে দিচ্ছি, যাতে পরবর্তী সরকারের জন্য কাজ করা আরও সহজ হয়।’ তবে, বিদেশি বিনিয়োগ আনার ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকার খুব একটা সফল হতে পারেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রেসিডেন্ট পদে বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা অফিশিয়ালি এখনও প্রার্থিতা প্রত্যাহার (উইথড্র) করিনি, তবে এ নিয়ে কোনো প্রচারণাও (ক্যাম্পেইন) করছি না।’

dhakapost

উল্লেখ্য, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এই গুরুত্বপূর্ণ পদে মো. তৌহিদ হোসেনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা থাকলেও ফিলিস্তিনের প্রতি সম্মান জানিয়ে বাংলাদেশের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের গুঞ্জন রয়েছে। তবে, সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।

বিজ্ঞাপন

এনআই/