কারাগারে ভোট দিলেন ৪৫৩৮ বন্দি, ভোটার হলেন না কয়েকজন শীর্ষ রাজনীতিক

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অংশ হিসেবে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন কারাগারে বন্দিদের ভোটগ্রহণ কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে রয়েছে। গত ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পাঁচ দিনে মোট ৪ হাজার ৫৩৮ জন কারাবন্দি তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। মোট ৫ হাজার ৯৬০ জন কারাবন্দি ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত ছিলেন।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) কারা অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া) জান্নাত-উল ফরহাদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কারা সূত্র জানায়, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং সাবেক তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ভোটার হওয়ার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেননি। ফলে তারা ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হননি এবং ভোটও দেননি।
এছাড়া জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনও ভোটার হতে ইচ্ছুক ছিলেন না।
কারাগারে ভোটারদের কিউআর কোড স্ক্যান করার পাশাপাশি পোস্টাল ব্যালটের একটি আলাদা সম্মতিপত্রে স্বাক্ষরের বাধ্যবাধকতা ছিল। হাসানুল হক ইনু ও রাশেদ খান মেনন ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত হলেও ওই সম্মতিপত্রে স্বাক্ষর করতে অপরাগতা প্রকাশ করেন। ফলে তারা ভোট দিতে পারেননি। অন্যদিকে সাবেক মন্ত্রী দীপু মনি ভোটার হলেও ভোট দেননি; তিনি বর্তমানে ঢাকার বাইরের একটি মহিলা কারাগারে আছেন।
ঢাকার কেরানীগঞ্জের বিশেষ কারাগারে রাজনৈতিক বন্দি, সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা ও সচিবসহ মোট ২২ জন ভোটার হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে সাবেক দুইজন সংসদ সদস্য (এমপি) ও একজন সাবেক মন্ত্রী পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিয়েছেন। তবে কারা কর্তৃপক্ষ তাদের নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক। কেরানীগঞ্জ বিশেষ কারাগারে মোট ১০২ জন ভোটারের মধ্যে ৫৫ জন ভোট দিয়েছেন, যাদের মধ্যে ১২ জন বিশেষ বন্দি এবং ৪৩ জন কয়েদি রয়েছেন।
এআইজি (মিডিয়া) জান্নাত-উল ফরহাদ জানান, গত ৬ ফেব্রুয়ারি সার্ভার অত্যন্ত ব্যস্ত থাকায় বেশ কয়েকজন কারাবন্দি ভোট দিতে পারেননি। এ কারণে আজকেও ভোট গ্রহণ কার্যক্রম চলমান ছিল। সর্বশেষ ৭ ফেব্রুয়ারি ভোট প্রদানকারীদের মধ্যে ৪৪৮ জন পুরুষ, ২৩ জন নারী এবং ১৬ জন বিশেষ বন্দি রয়েছেন।
কারা অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন বলেন, আজ কার্যক্রম অনেকটা সমাপ্ত হলেও আগামীকাল ৮ ফেব্রুয়ারি আরও বেশ কয়েকজন কারাবন্দি ভোটার
এমএসি/বিআরইউ