ইসির ‘সারপ্রাইজ সিদ্ধান্তে’ এনসিপির উদ্বেগ

নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ‘অস্বাভাবিক আচরণ’ এবং নির্বাচন কমিশনের (ইসি) হঠাৎ নেওয়া কিছু ‘সারপ্রাইজ সিদ্ধান্তে’ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তবে নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি ইসি প্রত্যাহার করে নিচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ ১১ দলীয় জোট। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন জোটের নেতারা।
বৈঠক শেষে আসিফ মাহমুদ বলেন, মাঠ পর্যায়ে পুলিশ ও জনপ্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা অস্বাভাবিক আচরণ করছেন। তারা ভোটারদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন এবং নির্দিষ্ট দলকে ভোট দিতে চাপ দিচ্ছেন। এমনকি বিভিন্ন ব্যবসায়ী গ্রুপকে কল দিয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, কোনো প্রার্থীর পক্ষ থেকে অভিযোগ দেওয়া হলে কমিশন থেকে লিখিত জবাব পাওয়া যাচ্ছে না। অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য একটি বিশেষ ‘টাস্কফোর্স’ থাকা জরুরি ছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।
প্রশাসনিক রদবদলে একটি নির্দিষ্ট দলকে সুবিধা দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, কোনো দলের প্রার্থীকে শোকজ করার পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হচ্ছে। এটি নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। তিনি বিতর্কিত কর্মকর্তাদের দ্রুত অপসারণ ও বদলির দাবি জানান।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, জামায়াতে ইসলামীর অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা তোফাজ্জল হোসেন মিয়া এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির নজরুল ইসলাম বাবলুসহ ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা।
এসআর/জেডএস