ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের দায়িত্ব প্রিজাইডিং অফিসার ও নির্বাচন কমিশনের

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৬ ও ঢাকা-৭ আসনের বেশ কয়েকটি কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে ঝুঁকি দেখছে র্যাব। বিশেষ করে কিছু কেন্দ্রের সীমানা প্রাচীর বা দেয়াল ভাঙা থাকায় সেখান দিয়ে অননুমোদিত ব্যক্তি প্রবেশের আশঙ্কা রয়েছে।
র্যাব জানিয়েছে, এ ধরনের ভৌত সমস্যার সমাধান করা নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারদের দায়িত্ব।
আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে রাজধানীর কবি নজরুল সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাব-১০ লালবাগ ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার তানভীর হাসান শিথিল।
র্যাব কর্মকর্তা তানভীর হাসান বলেন, ‘আমাদের সদস্যরা প্রতিটি কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। আমি নিজেও ব্যক্তিগতভাবে দুটি কেন্দ্র দেখেছি। সেখানে ভাঙা দেয়ালসহ কিছু নিরাপত্তা ঝুঁকি লক্ষ করেছি। এটি মূলত নির্বাচন কমিশনের বিষয়। প্রিজাইডিং অফিসাররা যদি মনে করেন অতিরিক্ত নিরাপত্তা প্রয়োজন এবং আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন, তবে পুলিশ, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।’
নির্বাচন বানচালের যেকোনো চেষ্টা কঠোরভাবে দমনের হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, গুজব বা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিহত করতে র্যাব সচেষ্ট আছে। অপরাধী যে-ই হোক না কেন, তাদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব সক্ষম। দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, ‘ভোটগ্রহণ শুরু থেকে গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমরা মাঠে থাকব।’
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ঢাকা-৬ ও ঢাকা-৭ আসনের প্রতিটি কেন্দ্রে পেট্রোল ফোর্সের পাশাপাশি ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড থাকবে। প্রাথমিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ, আনসার ও বিজিবি কাজ করবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত শক্তির প্রয়োজন হলে র্যাব ও সেনাবাহিনী পদক্ষেপ নেবে।
নির্বাচনে অর্থ লেনদেনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে এই কর্মকর্তা জানান, নির্দিষ্ট তথ্য পেলে তারা ব্যবস্থা নেবেন। এ ছাড়া ‘নির্বাচন সুরক্ষা’ নামে একটি অ্যাপের মাধ্যমে পরীক্ষামূলকভাবে র্যাবের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। কোনো কেন্দ্রের অনিয়মের তথ্য এই অ্যাপে জানানো হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এমএল/বিআরইউ