নির্বাচনের সুষ্ঠু, সুন্দর ও উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করতে পেরেছি

মোহাম্মদপুর জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মো. জুয়েল রানা বলেছেন, আমরা আজকে একটি সুন্দর, উৎসবমুখর এবং আনন্দময় নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করে দিতে পেরেছি। ইতোমধ্যে আমাদের অসংখ্য সম্মানিত ভোটার তাদের সেই কাঙ্ক্ষিত ভোট ও হারিয়ে যাওয়া স্বপ্ন ফেরত পেয়েছেন। তারা আজ পছন্দমতো প্রার্থীকে ভোট দিচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে মোহাম্মদপুর সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ভোট দেওয়ার পরে আপনারা তাদের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন। তারা যে কতটা আনন্দিত এবং খুশি, তা দেখেছেন। তারা দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ভোটের উৎসব ফিরে পেয়েছেন। সেই উৎসবটা আমরা ফেরত দিতে পেরেছি বলে আমরাও অনেক আনন্দিত।
এডিসি বলেন, তফসিল ঘোষণা থেকে শুরু করে নির্বাচনের দিন পর্যন্ত সব বাহিনীর সমন্বয়ে আমরা নিয়মিত টহল দিয়েছি। প্রার্থীদের প্রচারণার সময় সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা দিয়েছি। গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যমতে বিভিন্ন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী ও অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের আমরা গ্রেপ্তার করেছি। বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্র ও মরণাস্ত্র উদ্ধার করেছি। পাশাপাশি আমরা জনগণকে স্বস্তি দিয়েছি যে— ইনশাআল্লাহ আমাদের প্রতি বিশ্বাস রাখেন, আমরা আপনাদের বিশ্বাসের মর্যাদা দেব। সেটা আজ প্রমাণিত হয়ে গেল।

জুয়েল রানা আরও বলেন, স্বাভাবিকভাবেই যখন একটা সুষ্ঠু নির্বাচন হয়, তখন আগের রাতে কিছু ভয় ও গুজব ছড়ায়। এটা অনেকটা ভোটের সৌন্দর্যের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা গত রাতে নিয়মিত টহল দিয়েছি এবং জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। প্রার্থীদের লোকজনকে আমরা অনুরোধ করে সরিয়ে দিয়েছি। ফলে ঢাকা-১৩ আসনে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হয়নি এবং নেতিবাচক কোনো খবরও আপনাদের প্রচার করতে হয়নি।
তিনি বলেন, সকালে আমরা এসে দেখলাম অসংখ্য ভোটার উপস্থিত হয়েছেন। আমরা সম্মানিত প্রিজাইডিং অফিসার ও ইনচার্জদের সঙ্গে কথা বলেছি। এখন পর্যন্ত কোনো কেন্দ্রে সমস্যা নেই এবং সবাই ভোট দিচ্ছে। ভোটাররা সরকার ও নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা বিভিন্ন বাহিনীর প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং আমাদের জন্য মন খুলে দোয়া করেছেন। প্রশাসন, পুলিশ, সেনাবাহিনী ও র্যাব যদি আন্তরিকভাবে কাজ করে, তবে যতই সমস্যা থাকুক একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব— তা আমরা আজ দিতে পেরেছি।
এমএসআই/এমএসএ