‘প্রত্যাশা নেই, ভোট দিতে আসছি শখে’

নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছর কোনো প্রত্যাশা নেই বলে জানিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী বিথী। শখের বসে ভোট দিতে আসা তার।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা-৭ আসনের অন্তর্ভূক্ত ১২৪ নম্বর কেন্দ্র অনন্তময়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট দিতে এসে একথা জানান বিথী।
তিনি বলেন, এইবার প্রথম ভোট দিলাম। আপাতত প্রতিনিধিদের কাছে কোনো প্রত্যাশা নাই। কোনো দাবি-দাওয়াও নাই। যারা যা দিতে পারে। আমি প্রত্যাশা করলাম, কিন্তু তারা দিতে পারলো না তখন আমার বেশি খারাপ লাগবে। আমি কখনো ভোট দেয়নি, শখে ভোট দিতে আসছি। কারণ অভিজ্ঞতা নেওয়ার দরকার আছে।
একই কেন্দ্রে রাজার দেউরীর বাসিন্দা সুমা দাস ভোট দিয়ে বলেন, এখানে ভোটের পরিস্থিতি এখন খুব ভালো। ভোট দিয়ে ভালো লেগেছে। তবে নির্বাচিত প্রতিনিধির কাছে দাবি থাকবে, এই এলাকার প্রধান সমস্যা গ্যাস। গ্যাস থাকেনা। এটির যেনো সমাধান করেন। একইসঙ্গে আমাদের দিকে যেন খেয়াল রাখে সেই দাবি জানাই।
এদিকে কেন্দ্রটিতে মোট ভোটার ৩৪৩২ জন। সাড়ে চার ঘণ্টায় অর্থাৎ দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৫৬১টি। শতাংশের হিসেবে যা ১৬ দশমিক ৩৫।
কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা এস এম এহতেশামুল আনাম বলেন, আমাদের কেন্দ্রে ৩৪৩২ জন ভোটার রয়েছে। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৭৯৭ জন ও মহিলা ভোটার ১৬৩৫ জন। দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৫৬১ ভোট কাস্ট হয়েছে। যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ৩১৮ জন ও মহিলা ভোটার ২৪৩ জন।
এই আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী হামিদুর রহমান, জামায়াত জোটের মো. এনায়েত উল্লা, স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপি বিদ্রোহী) মোহাম্মদ ইসহাক সরকার (ফুটবল), জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন আহম্মেদ মিলন (লাঙ্গল প্রতীক), বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির শফিকুর রহমান (হাতি), ইসলামী আন্দোলনের মো. আবদুর রহমান (হাতপাখা), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. হাবিবুল্লাহ (বটগাছ), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) মো. শহিদুল ইসলাম (কাঁঠাল), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মাকসুদুর রহমান (ছড়ি), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের শাহানা সেলিম (তারা) ও বাসদ মার্ক্সবাদীর সীমা দত্ত (কাঁচি)।
লালবাগ, চকবাজার, বংশাল ও কোতোয়ালি (আংশিক) থানা এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৭ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানে মোট ভোটার ৪ লাখ ৭৯ হাজার ৩৭৭ জন। সেখানে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৪৮ হাজার ৪৮১ ও নারী ২ লাখ ৩০ হাজার ৮৮৩ জন।
এনআর/এমএসএ