এক ছাদের নিচে মিলছে পুরান-নতুন ঢাকার ইফতার

পবিত্র রমজান মাসে গ্রাহকদের জন্য জনপ্রিয় সব ইফতার আইটেম এক জায়গায় পেতে এবং উৎসবমুখর পরিবেশে কেনাকাটার সুবিধা দিতে দেশের অনলাইন ফুড ও গ্রোসারি ডেলিভারি প্ল্যাটফর্ম ফুডপান্ডা বাংলাদেশের ফ্ল্যাগশিপ আয়োজন ‘গ্র্যান্ড ইফতার বাজার’ এর চতুর্থ আসর শুরু হয়েছে।
এবার চতুর্থ বছরে পদার্পণ করল গ্র্যান্ড ইফতার বাজার। অন্যবারের মতো এবারও এই আয়োজনে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের পাশাপাশি দেশের নামকরা ও জনপ্রিয় বিভিন্ন রেস্টুরেন্টকে এক ছাদের নিচে আনা হয়েছে।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বনানীর সোয়াট ফিল্ডে এই ইফতার বাজারের উদ্বোধন করেন ফুডপান্ডা বাংলাদেশের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আম্বারীন রেজা এবং জুবায়ের বি এ সিদ্দিকী।
এবারের আয়োজনে অংশ নিয়েছে বিউটি লাচ্ছি ও ফালুদা, ডিসেন্ট পেস্ট্রি শপ, রাতের কাবাব, মুসলিম সুইটস, তার্কা, টার্কিশ আদানা কাবাব, মাস্টারশেফ সুবরাত আলী, হাজী বিরিয়ানি, ট্রাই স্টেট ইটারি এবং ইফতারওয়ালা।

গ্রাহকরা ফুডপান্ডা অ্যাপের মাধ্যমে হোম ডেলিভারি বা পিকআপের অর্ডার দিয়ে এসব ঐতিহ্যবাহী ইফতার সংগ্রহ করতে পারবেন। এছাড়া পরিবার ও বন্ধুরা মিলে যাতে একসাথে ইফতার উপভোগ করতে পারেন এজন্য ফুডপান্ডার এই আয়োজনে ১২০ জন গ্রাহকের জন্য বসে ইফতার করার (ডাইন-ইন) ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে ফুডপান্ডা বাংলাদেশের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আম্বারীন রেজা বলেন, বাংলাদেশে বড় হওয়ার সুবাদে রমজান আমার কাছে সবসময়ই একটা উৎসব। ছোটবেলায় মায়ের সঙ্গে ইফতার তৈরিতে সাহায্য করা আর বাবার সঙ্গে দোকান থেকে প্রিয় জিলাপি, হালিম, ঘুগনি আর রোল কিনে আনার কথা এখনো খুব করে মনে পড়ে। এই সাধারণ পারিবারিক রীতিগুলোই রমজান মাসটিকে আমার কাছে বিশেষ করে তুলত। সময়ের সঙ্গে ঢাকার জীবনযাত্রা বদলেছে।

তিনি বলেন, ব্যস্ত সড়ক, দীর্ঘ যানজট আর ব্যস্ত নাগরিক জীবনের বাস্তবতায় প্রতিদিন বিভিন্ন জনপ্রিয় জায়গায় গিয়ে ইফতার কেনা এখন প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। আবার পরিবারের সঙ্গে সেই আগের মতো ইফতার প্রস্তুতির সময়ও অনেকের হাতে থাকে না। এই প্রেক্ষাপটে গ্র্যান্ড ইফতার বাজারের চতুর্থ আয়োজন শুরু করছি আমরা। গ্রাহকদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে আমরা জনপ্রিয় সব রেস্টুরেন্টকে এক জায়গায় নিয়ে এসেছি। আমাদের এ আয়োজনে ডাইন ইন, পিকআপ এবং ঘরে বসে অর্ডার করার ব্যবস্থা রয়েছে। আমরা চাই আমাদের গ্রাহকদের ইফতারের আয়োজন হোক সহজ, আনন্দময় ও তৃপ্তিদায়ক। আমাদের এই আয়োজন গ্রাহকদের ভালো লাগবে এবং সবার রমজান বরকতময় হবে এটাই প্রত্যাশা।
ফুডপান্ডা বাংলাদেশের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুবায়ের বি এ সিদ্দিকী বলেন, ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে ইফতার মানেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ আর সবার সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ। ইফতার আমাদের জীবনের নানা প্রাপ্তির কথাও মনে করিয়ে দেয়। গত কয়েক বছরে গ্র্যান্ড ইফতার বাজার অভিন্ন অভিজ্ঞতার মাধ্যমে এক জায়গায় মিলিত হওয়ার একটি প্ল্যাটফর্ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। চতুর্থ বছরেও আমাদের চেষ্টা থাকবে বিশেষ এই মাসে যাতে আমাদের ঐতিহ্য আর সামাজিক বন্ধন আরও মজবুত হয়।
এএসএস/এসএসএইচ