সরকারি সাড়ে ৯ একর জমি বেহাত, ফাঁসছেন যুগ্ম সচিবসহ ৭ জন

খুলনা শিপইয়ার্ড ও চট্টগ্রামের নাসিরাবাদ শিল্প এলাকায় প্রায় সাড়ে ৯ একর জমি লিজ চুক্তি ভঙ্গ এবং জালিয়াতির মাধ্যমে অবৈধভাবে বিক্রির অভিযোগে একজন যুগ্ম সচিব ও দুই সাব-রেজিস্ট্রারসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করতে যাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সম্প্রতি দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে পৃথক দুই মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন। শিগগিরই মামলা দুটি দায়ের করা হতে পারে বলে জানা গেছে।
দুদক সূত্রে জানা যায়, খুলনা শিপইয়ার্ডের প্রায় সাড়ে ৪ একর জমি লিজদাতার অনুমতি বা অনুমোদন ছাড়া সরকারি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট লিজ জমি সাফ-কবলা দলিল মূলে বিক্রির প্রমাণ পেয়েছে দুদকের অনুসন্ধান টিম। যে অপরাধে পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ওই মামলায় ফাঁসছেন এন এম এক্সপ্রেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিও গেব্রিয়েল মেন্ডেজ, লিন্ডে বাংলাদেশ লিমিটেডের চিফ অপারেটিং অফিসার খায়রুল আলম, খুলনা সদরের সাবেক সাব রেজিস্ট্রার গৌর চন্দ্র দাস, প্রকল্প পরিচালক যুগ্ম সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং সাবেক ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান।
এছাড়া মালিকানা তথ্য গোপন করে, ফরমে উল্লিখিত তথ্যাদি যাচাই না করে, মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ এন খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. সবিরুল আলম, নির্বাহী প্রকৌশলী মোরতোজা আল মামুন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. মজিবুর রহমান ও শামীম জেহাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে চট্টগ্রামের নাসিরাবাদ (অক্সিজেন) শিল্প এলাকায় ৫.২১৯ একর সরকারি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট লিজ জমি/অধিগ্রহণ করে জমি সরকারের অনুমতি ব্যতীত পারস্পরিক যোগসাজশে সাফ-কবলা দলিল মূলে প্রদানের অভিযোগে বি. কে. টেক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হারুন অর রশিদ ও সাবেক সাব-রেজিস্ট্রার মো. আবু তালিব খানের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০ তৎসহ ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলা করা হবে বলে জানা গেছে।
আরএম/জেডএস