‘মানসম্মত ডে-কেয়ার না হলে কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ কমবে’

শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র-পরিচর্যাকারীর বিকাশ না হলে কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ ক্রমেই হ্রাস পাবে উল্লেখ করে শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র-পরিচর্যাকারীর বিকাশ জরুরি বলে জানিয়েছেন আলোচকরা।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার ( ১২ মার্চ) বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশের কর্মক্ষেত্রে মানসম্পন্ন শিশু পরিচর্যা বিষয়ে এক অনুষ্ঠানে আলোচকরা এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ-বিলস ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান লাইটক্যাসেল পার্টনার্সের উদ্যোগে এবং আইএলও বাংলাদেশের সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে মানসম্পন্ন শিশু পরিচর্যাকে কর্মক্ষেত্রে নারী শ্রমশক্তির অংশগ্রহণ ও শিল্পে উৎপাদন বৃদ্ধির একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পূর্বশর্ত হিসেবে বিবেচনা করা হলেও বাংলাদেশে এর বাস্তবায়নে কাঠামোগত ও প্রায়োগিক দুর্বলতা বিদ্যমান। আইএলও কনভেনশন-১৫৬, মাতৃত্বকালীন সুরক্ষা ও কমিউনিটি পর্যায়ে শিশু পরিচর্যা সংক্রান্ত সেবার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও এবং দেশে শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র আইন, ২০২১ প্রণীত হলেও বাস্তবিক অর্থে এর মানোন্নয়নে পরিদর্শনগত দুর্বলতা রয়েছে এবং ক্ষেত্রবিশেষে তা শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ।
বক্তারা আরও বলেন, শিশু পরিচর্যাকে শ্রম অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি না দিতে পারলে নারীর শ্রম অধিকার বিপন্ন হবে। এ বিষয়ে শ্রম পরিদর্শনসহ সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। শিশুর বিকাশে দিবাযত্ন কেন্দ্র এবং পরিচর্যাকারীর উন্নয়ন না হলে কর্মক্ষেত্রে ও শ্রম শক্তিতে নারীর অংশগ্রহণ ক্রমেই হ্রাস পাবে। এ ক্ষেত্রে সক্ষমতার মধ্যে থেকে সেবার মানোন্নয়ন করে এই সেবাকে সার্বজনীন করার ওপর জোর দিতে হবে।
বিজ্ঞাপন
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবীর, বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের অতিরিক্ত মহাসচিব মো. সাইদুল ইসলাম, বিলসের নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহম্মদ, শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের যুগ্ম সমন্বয়কারী আহসান হাবীব বুলবুল, বিলস উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য নইমুল আহসান জুয়েল, নির্বাহী পরিষদ সম্পাদক সাকিল আখতার চৌধুরী, আইএলওর প্রকল্প কর্মকর্তা নিরান রামজুঠান প্রমুখ।
এএসএস/এসএইচএ