বাংলাদেশ ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর শক্তিশালী কণ্ঠস্বর : রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশ ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর একটি শক্তিশালী কণ্ঠস্বর বলে মনে করেন ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার খোজিন।
বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশের ৫৫তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে বুধবার (২৫ মার্চ) এক শুভেচ্ছা বার্তায় বাংলাদেশ নিয়ে এ অভিমত ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রদূত।
আলেকজান্ডার খোজিন বলেন, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনে বিভাজন ও শাসন নীতির কারণে উপমহাদেশে যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল, তা পরবর্তীতে বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের পথ প্রশস্ত করে। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে এবং একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার শক্তিশালী আন্দোলনের সূচনা করে। এই সংগ্রামের মূলে ছিল ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং আত্মনিয়ন্ত্রণের আকাঙ্ক্ষা। ২৬ মার্চ এ দেশের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা করেছে।
বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রশংসা করে রাষ্ট্রদূত বলেন, বিশেষ করে বস্ত্রখাতে বাংলাদেশ আজ বিশ্বনেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে। এমনকি কোভিড-১৯ মহামারির মতো বৈশ্বিক সংকটেও দেশটি উচ্চ প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত সুন্দরবন ও রিকশা পেইন্টিংয়ের মতো বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক ঐতিহ্যের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির কথা শুভেচ্ছা বার্তায় তুলে ধরেন।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দুই লক্ষাধিক শান্তিরক্ষী মোতায়েন করে দেশটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।
বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ ও রাশিয়ার ঐতিহাসিক সম্পর্কের স্মৃতিচারণ করে আলেকজান্ডার খোজিন বলেন, সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৭২ সালের ২৫ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম দেশগুলোর একটি। স্বাধীনতার পর সোভিয়েত বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও চট্টগ্রাম বন্দরে মাইন অপসারণ কার্যক্রমে সরাসরি অংশ নিয়েছিলেন।
তিনি বলেন, বর্তমানে রাশিয়ার পক্ষ থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথ প্রকল্প রয়েছে। বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে রাশিয়ার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে এবং উভয় দেশের জনগণের কল্যাণ বয়ে আনবে।
এনআই/এমএসএ