জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাঙালি জাতি মুক্তির লড়াই শুরু করেছিল

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের নেতৃত্বেই বাঙালি জাতি তাদের মুক্তির লড়াই শুরু করেছিল। তার ঐতিহাসিক ঘোষণায় জাতি যে সাহস ও প্রেরণা পেয়েছিল, তা-ই দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পথ দেখিয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে চট্টগ্রাম নগরীর বিপ্লব উদ্যান স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। মহান স্বাধীনতা ও ৫৬তম জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে এই শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
মীর হেলাল তার বক্তব্যে মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর শহীদদের পাশাপাশি মা-বোন ও দেশপ্রেমিকদের আত্মত্যাগকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পরবর্তী বিভিন্ন সময়ে দেশে ফ্যাসিবাদী ও স্বৈরাচারী শক্তির উত্থান গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাভাবিক বিকাশকে বারবার বাধাগ্রস্ত করেছে। এটি আইনের শাসন ও জবাবদিহির চর্চাকে দুর্বল করেছে, যার ফলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ভিত্তিতে একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা বারবার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
চট্টগ্রাম-৫ আসনের এই সংসদ সদস্য আরও বলেন, আজকের দিনে আমাদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত শহীদদের স্বপ্ন পূরণ করা এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে একটি শক্তিশালী ও উদার গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা। তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এমন একটি দেশ গড়তে চান যেখানে শিক্ষা, প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য, শিল্প ও কৃষি খাতের উন্নয়ন নিশ্চিত হবে এবং বাংলাদেশ বিশ্ব মানচিত্রে একটি মর্যাদাশীল ও আত্মনির্ভর রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি জাতির ঐক্য, সততা ও কঠোর পরিশ্রমের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বিজ্ঞাপন
বিপ্লব উদ্যানে স্বাধীনতা দিবসের এই সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন নগর বিএনপির আহ্বায়ক ও নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন নগর বিএনপির সদস্যসচিব নাজিমুর রহমান। সমাবেশে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ানও বক্তব্য রাখেন।
আরএমএন/বিআরইউ