পবিত্র ঈদুল ফিতরের লম্বা ছুটি শেষে রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছে কর্মজীবী মানুষ। প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ উপভোগ করে এখন যোগ দিচ্ছেন নিজ নিজ কর্মস্থলে। এবারে ফিরতি যাত্রায় যানজটের ভোগান্তির তুলনামূলকভাবে কম এবং নেই বাড়তি বাড়ার বড় কোনো অভিযোগ। তাই নির্বিঘ্নে রাজধানীতে ফিরতে পেরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন যাত্রীরা।
বিজ্ঞাপন
রবিবার (২৯ মার্চ) রাজধানীর উত্তরার আবদুল্লাহপুর ও মহাখালী বাস টার্মিনাল ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সেখানে গিয়ে দেখা যায়, আবদুল্লাহপুর বাস টার্মিনালে একের পর এক দূরপাল্লার গণপরিবহন এসে থামছে। পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ উপভোগ শেষে কর্মস্থলে যোগ দিতে ফিরছেন মানুষ। গাড়ি থেকে নামার পর যাত্রীরা বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়ার জন্য যানবাহনের খোঁজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। কেউ কেউ সহজেই গণপরিবহনে উঠতে পারলেও সিএনজি চালিত অটোরিকশা বা বাইক রাইডারদের সঙ্গে অনেককেই ভাড়ার বিষয়ে দরকষাকষি করতে দেখা গেছে।
টার্মিনালে নামা যাত্রীরা জানান, অন্যান্য বারের চেয়ে এবার ফিরতি পথ ছিল অনেকটা স্বস্তিদায়ক। মহাসড়কে বড় ধরনের কোনো যানজট না থাকায় মোটামুটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট থেকে আসা এক অভিভাবক বলেন, ‘আসার পথে রাস্তায় তেমন কোনো যানজট পাইনি। অনেকটা শান্তিতেই এবার পরিবার নিয়ে ঢাকায় ফিরতে পেরেছি।’
তবে ভাড়ার বিষয়ে যাত্রীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ স্বাভাবিক ভাড়ায় ফিরতে পারলেও অনেকের অভিযোগ– সুযোগ বুঝে কোনো কোনো পরিবহন মালিক বাড়তি ভাড়া আদায় করছেন। শেরপুর থেকে আসা হাসিবুল ইসলাম নামের এক যাত্রী জানান, এই যাত্রায় পথে যানজট না থাকলেও কিছু কিছু বাস মালিক বেশি ভাড়া নিচ্ছেন।
এসআর/বিআরইউ
