চলতি মাসে ঝিনাইদহ ও ফেনীতে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এ তথ্য জানিয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (১ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এক সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, কিছুদিন আগে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় একটি খালের খনন কার্যক্রম শুরুর মাধ্যমে দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূিচির উদ্বোধন করা হয়েছে। সেই খালের খনন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এপ্রিল মাসে আমরা আরও দুটো খাল খনন করার কর্মসূচি হাতে নিচ্ছি, যেটি প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন। একটি ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপায়, আরেকটি সম্ভবত ফেনীতে হবে।
দুই জেলায় প্রধানমন্ত্রী সরাসরি গিয়ে উদ্বোধন করবেন জানিয়ে তিনি বলেন, এর পাশাপাশি মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীরাও বিভিন্ন জেলায় তাদের কাজ ওনারা দেখভাল করছেন।
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, এই কার্যক্রমগুলোকে ত্বরান্বিত করা এবং প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচি, কবে নাগাদ আমরা এটি উদ্বোধন করবো সেটি নিয়ে আমরা দীর্ঘ আলোচনা করেছি। মেইন কাজটা হলো যে ১৮০ দিনের কার্যক্রম, কার্যসূচি যেন আমরা নির্ধারিত সময়ে, যেটি আমরা জনগণের সামনে তুলে ধরেছি, সেটি যেন আমরা খুব দ্রুত সমাপ্ত করতে পারি। পাশাপাশি আমাদের যেটা টার্গেট, ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন কর্মসূচি, সেটি কবে নাগাদ আমরা চলমান বা দৃশ্যমান করব, সেটি নিয়েও আমাদের আলোচনা হয়েছে।
অনেকগুলো নদী এরই মধ্যে মরে গেছে, দখল হয়ে গেছে। সেগুলো উদ্ধারে আপনারা বিশেষ কী উদ্যোগ নিচ্ছেন- জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এর সঙ্গেই সবকিছু জড়িত। কারণ, ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন কর্মসূচি যখন আমরা সমাপ্ত করতে যাবো, তাহলে বুঝতেই হবে যে, এখানে অনেকগুলো প্রতিবন্ধকতা আছে, অনেকগুলো বাধা আছে। অনেক জায়গায় বিভিন্ন শিল্প কলকারখানার বর্জ্য-আবর্জনা স্তূপ হয়ে আছে। অনেক জায়গায় কেউ দোকান, কেউ বাড়িঘর নির্মাণ করেছেন। এগুলোকে আমাদের অবমুক্ত করতে হবে এবং সেজন্য আমরা কঠিন পদক্ষেপ হাতে নিয়েছি, যেন সবকিছু সুন্দরভাবে আমরা সমাধান করতে পারি। সেই টার্গেট ফুলফিল করার জন্যই আজকে আমাদের এই মিটিং এবং এই মিটিংয়ে আমরা মোটামুটি সবাই আশাবাদী যে আমরা এই কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে যা যা করা দরকার সমন্বিতভাবে সেটাকে সমাপ্ত করব ইনশাআল্লাহ।
তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এটা নিয়ে তো আমরা প্রায়ই মিটিং করি। সেটা খুবই শর্ট মিটিং এবং এটা টেকনিক্যাল পর্যায়ে, কারিগরি এক্সপার্ট যারা আছেন তারা কীভাবে কাজ করবেন তারা তাদের কাজ করছে। এটাকে আমরা এখনও অ্যাড্রেস করার মতো পজিশন হয়নি। তবে আমরা এই কাজ অব্যাহত রেখেছি, এটা নিয়ে আমাদের নিয়মিত মিটিং চলছে, রুটিন ওয়ার্ক কন্টিনিউ হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গা চুক্তি ৩০ বছর মেয়াদি। এই মেয়াদ এ বছরের ডিসেম্বরে শেষ হবে। এই ইস্যুতে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের টেকনিক্যাল টিম কাজ করছে, এই ব্যাপারে আমাদের রুটিন ওয়ার্ক চলছে।
এসএইচআর/জেডএস
