বিজ্ঞাপন

দেশজুড়ে বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র ১৮৩৪টি, সক্ষমতা বাড়াতে মহাপরিকল্পনা সরকারের

অ+
অ-
দেশজুড়ে বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র ১৮৩৪টি, সক্ষমতা বাড়াতে মহাপরিকল্পনা সরকারের

সারাদেশে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। বর্তমানে দেশে বিভিন্ন বিতরণ সংস্থার অধীনে মোট ১ হাজার ৮৩৪টি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র সচল রয়েছে। গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে ২০৩১ সালের মধ্যে এই সক্ষমতা আরও ৬ হাজার ২৫৫ এমভিএ বৃদ্ধি করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিনের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি দেশের বিদ্যুৎ খাতের বর্তমান চিত্র ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।

বিতরণ সংস্থাভিত্তিক উপকেন্দ্রের বর্তমান চিত্র

সংসদে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ৬টি বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থা ও কোম্পানির অধীনে উপকেন্দ্রেগুলো হচ্ছে, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বাপবিবো) ১ হাজার ৩০৬টি, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বাবিউবো) ১৮৭টি, ডিপিডিসি ৯৯টি, ওজোপাডিকো ৯৭টি, ডেসকো ৬০টি, নেসকো ৮৫টিসহ সর্বমোট উপকেন্দ্রের সংখ্যা ১ হাজার ৮৩৪টি।

বিজ্ঞাপন

সক্ষমতা বৃদ্ধিতে চলমান ও ভবিষ্যৎ প্রকল্পের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার ক্ষমতা বাড়াতে বর্তমানে সারাদেশে ১৩৯টি নতুন উপকেন্দ্র নির্মাণের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। বিশেষ করে পল্লী এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগের মানোন্নয়নে বড় ধরনের বিনিয়োগ করছে সরকার।

তিনি জানান, বাপবিবোর আওতায় বর্তমানে ৫টি প্রকল্প চলমান রয়েছে এবং ৩টি প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। ১২৮টি নতুন উপকেন্দ্র নির্মাণ ও ৭৬টি উপকেন্দ্রের আপগ্রেডেশনের মাধ্যমে ২,৫৪৩ এমভিএ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। ২২৬টি নতুন উপকেন্দ্র নির্মাণের মাধ্যমে আরও ৩,৭১২ এমভিএ সক্ষমতা যুক্ত হবে। সব মিলিয়ে ২০৩১ সালের মধ্যে ৬,২৫৫ এমভিএ অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিতরণের সক্ষমতা তৈরি হবে।

বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে অন্যান্য সংস্থাও পিছিয়ে নেই উল্লেখ করে সংসদকে তিনি বলেন, ময়মনসিংহ ও কুমিল্লা জোনে নতুন দুটি প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। পশ্চিমাঞ্চলে বর্তমানে ৪টি প্রকল্প চলমান এবং নতুন আরও ৪টি প্রকল্প গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। উত্তরাঞ্চলে ৩টি প্রকল্পের কাজ চলমান এবং ১টি নতুন প্রকল্প পরিকল্পনাধীন রয়েছে। সরকারের এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের বিদ্যুৎ বিভ্রাট অনেকাংশে কমে আসবে এবং শিল্প-কারখানাসহ আবাসিক খাতে স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

এসআর/এসএম

বিজ্ঞাপন