প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত ৭ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৪ জনের মরদেহ দেশে আনা হয়েছে। আর একজনকে সংযুক্ত আরব-আমিরাতে কবর দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে সৌদি আরবে নিহত বাংলাদেশি কর্মী আব্দুল্লাহ আল মামুনের মরদেহ সোমবার (৬ এপ্রিল) দেশে এসেছে। বিমানবন্দরে মরদেহ গ্রহণের পরে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান মন্ত্রী।
প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে এখন পর্যন্ত ৭ জনের মৃত্যুর খবর আমাদের কাছে এসেছে। এর মধ্যে ৪ জনের মরদেহ আমরা গ্রহণ করেছি। একজনের মরদেহ পরিবারের সম্মতিতে সৌদি আরবেই দাফন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, নিহতদের পরিবারকে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের পক্ষ থেকে দাফনকার্যের জন্য ৩৫ হাজার টাকা এবং নগদ ৫০ হাজার টাকা তাৎক্ষণিকভাবে প্রদান করা হয়েছে। এ ছাড়া আর্থিক সহায়তা হিসেবে ৩ লাখ টাকা দেওয়া হবে।
বিজ্ঞাপন
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলার বিষয়ে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, মালয়েশিয়ার শ্রম বাজার ওপেন করার চেষ্টা করছি। সিন্ডিকেটমুক্ত রাখার চেষ্টা করা হবে।
এ সময় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক উপস্থিত ছিলেন।
গত ৮ মার্চ ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র সৌদি আরবের আল-খারজ এলাকায় আঘাত হানলে মামুন দগ্ধ হন। তার শরীরের প্রায় ৯০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। রিয়াদে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। নিহত মামুনের বাড়ি ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার রসুলপুর গ্রামে।
বিজ্ঞাপন
এনআই/এসএম
