সংসদ থেকে ওয়াকআউট করা কোনো অপরাধের পর্যায়ে পড়বে কী না প্রশ্ন রেখেছেন বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের পর অধিবেশনে যোগ দিয়ে স্পিকারের বরাবর প্রশ্ন রাখেন। তার আগে সংসদ থেকে ওয়াকাআউট করেন বিরোধী দল।
ডা. শফিকুর রহমান প্রশ্ন করে বলেছেন, আমরা যেটা যৌক্তিক মনে করব সেটাতে আমরা আগেই বলেছি, আমরা একমত হবো, সহযোগিতাও করব। যেটা আমাদের যুক্তিতে ধরবে না, এটার আমরা বিরোধিতা করব। এটা আমাদের দায়িত্ব এবং অধিকার। আমি একটু জানতে চাচ্ছি যে, আসলে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করা, এটা কি কোনো অপরাধের পর্যায়ে পড়বে?
‘আমরা সবাই তো জানি এটা ডেমোক্রেটিক রাইট অ্যান্ড প্র্যাকটিস। আমাদের রাইটস আছে, সেই রাইটসের বলে আমরা যা উপযুক্ত মনে করেছি, আমরা আগের আলোচনায় সেরকম করেছি। কিন্তু দুঃখের বিষয় যে, সিনিয়র যারা এখানে সদস্য আছেন, তারা আগেও পার্লামেন্টে ছিলেন এবং এখনো এসেছেন। তারা ভাগ্যবান। আমরা নতুন এসেছি। আমরা তাদের কাছ থেকেই শিখব কিন্তু সেখানে যদি আমরা চলে যাওয়ার পরে সরাসরি কমেন্ট করা হয়, তাহলে পরিবেশ ক্ষুণ্ণ হবে।
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও বলেন, আমার জানার বিষয় আমরা কি সরকারি দলকে জিজ্ঞেস করে ওয়াকআউট করবো এবং আবার ফিরে আসব?
এসময় ডেপুটি স্পিকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বসার জন্য বার বার রিকুয়েষ্ট করেন। তিনি বলেন, ‘আপনি দয়া করে বসুন, আমরা দিনের কার্যসূচিতে যাব। যেহেতু বিরোধী দলের নেতা দাঁড়িয়ে ছিলেন সেজন্য ওনাকে ফ্লোট দেওয়া হয়েছে। এখানে যদি সংসদ নেতা দাঁড়াতেন ওনাকে ফ্লোর দিতাম। আপনি অনুগ্রহ করে বসুন। লেটস স্টার্ট আওয়ার বিজনেস। প্লিজ টেক ইউর সিট। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আপনি বসুন দয়া করে। আমাদের বিলগুলো পাস করতে হবে। আমাদের এজন্য তো অনেক কার্যক্রম হাতে আছে।’
এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিরোধী দলীয় নেতার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে উনারা ওয়াকআউট করার সময় আমি জাস্ট দাঁড়িয়ে বলেছিলাম যে, আইন প্রণয়নের সমস্ত স্টেপস পার হয়ে যাওয়ার পরে এটা কি রকম ওয়াকআউট। সেটা আমি বুঝতে পারি নাই। তবে ধন্যবাদ জানানোর জন্য দাঁড়িয়েছিলাম। ওনারা প্রত্যেকটা স্টেপে ফার্স্ট, সেকেন্ড, থার্ড রিডিং পর্যন্ত প্রত্যেকটা আইনে সহায়তা করেছেন। এর বাইরে আমরা কোনো কথা আলাপও করি নাই।
বিজ্ঞাপন
এমএসআই/এসএম
