সংসদীয় গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করেছে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার মিল্টন ডিকের নেতৃত্বে একটি সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে এ অঙ্গীকারের কথা জানায় উভয় পক্ষ।
বৈঠকে অস্ট্রেলিয়ার স্পিকার বলেন, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম দিকের দেশগুলোর মধ্যে অস্ট্রেলিয়া ছিল অন্যতম। তিনি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের জন্য অভিনন্দন জানান এবং বিশ্বব্যাপী সংসদীয় গণতন্ত্র শক্তিশালী করার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
একই সঙ্গে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সমাজ ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করেন।
বিজ্ঞাপন
প্রতিমন্ত্রী সংসদে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের জন্য অস্ট্রেলিয়ার চলমান সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানান।
বৈঠকে উভয় পক্ষ দুই দেশের সংসদের মধ্যে সংযোগ, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর জোর দেয়। সংসদ সদস্যদের মধ্যে আন্তঃসংসদীয় কর্মসূচি চালুর বিষয়েও আলোচনা হয়।
এ ছাড়া, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের সম্ভাব্য প্রভাব, বিশেষ করে জ্বালানি সরবরাহ সংকট নিয়েও মতবিনিময় করেন তারা।
বিজ্ঞাপন
অস্ট্রেলিয়ার সংসদীয় প্রতিনিধিদলটি এদিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করে। সফরের অংশ হিসেবে প্রতিনিধিদলটি জাতীয় সংসদ ভবন পরিদর্শন করে এবং সংসদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে।
এ ছাড়া, তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা জানান। প্রতিনিধিদলটি জুলাই মেমোরিয়াল জাদুঘর পরিদর্শন করে এবং সফরকালে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করে।
উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ার সংসদের ১২৫ বছরের ইতিহাসে এটি কোনো অস্ট্রেলীয় স্পিকারের প্রথম বাংলাদেশ সফর।
এনআই/এনএফ
