আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে পোলট্রি খাতকে রপ্তানিমুখী করার লক্ষ্যে সরকার সার্বিকভাবে কাজ করছে এজন্যে পোলট্রি খাত সংশ্লিষ্টদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
রোববার (১৯ এপ্রিল) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে প্রাণিসম্পদ খাত নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘সবার আগে বাংলাদেশ’-এই মূলমন্ত্রে বিশ্বাস করেন। তাই দেশের সার্বিক কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অসততা বরদাস্ত করা হবে না।”
আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে পোলট্রি খাতকে রপ্তানিমুখী করার লক্ষ্যে সরকার সার্বিকভাবে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
ক্ষুদ্র খামারিদের প্রশংসা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ক্ষুদ্র খামারিদের টিকিয়ে রাখা জরুরি। কারণ তারা না থাকলে বড় খামারিরাও টিকে থাকতে পারবে না। বর্তমানে প্রতি ডিম উৎপাদনে প্রায় ৯ টাকা খরচ হলেও খামারিরা লোকসান দিয়ে ৭ টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।এ পরিস্থিতিতে সরকারের পক্ষ থেকে সহায়তা দেওয়া হবে।’
ভ্যাকসিন আমদানি ইস্যুতে তিনি জানান, সরকার এবং কিছু প্রতিষ্ঠান ভ্যাকসিন আমদানি করে থাকে। তাই আমদানিকারকদের সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। পাশাপাশি খামারি, ফিড, বাচ্চা উৎপাদন থেকে বাজারজাতকরণ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভোক্তার ওপর অতিরিক্ত চাপ না পড়ে।
অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, সরকারের দায়িত্ব হলো সার্বিক সহায়তা প্রদান করা এবং এ ক্ষেত্রে শতভাগ সহযোগিতা দেওয়া হবে। মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনা হবে।
বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রি সেন্ট্রাল কাউন্সিলের সভাপতি মসিউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, ওয়ার্ল্ড পোলট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ শাখার সভাপতি শামসুল আরেফিন খালেদ, ফিড ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের জেনারেল সেক্রেটারি আনোয়ারুল হক প্রমুখ।
এএসএস/জেআই
