যমুনা সেতুর ডেক সংস্কার, প্রশস্তকরণ ও সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এবং চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি (সিসিসিসি)-চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ কর্পোরেশন (সিআরবিসি) জেভির মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মাধ্যমে সেতুর পরিত্যক্ত রেল লেনকে যান চলাচলের উপযোগী করা হবে।
বুধবার (১৩ মে) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সরকারের অতিরিক্ত সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) আলতাফ হোসেন সেখ।
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. ফেরদাউস এবং সিসিসিসি-সিআরবিসি জেভির পক্ষ থেকে ওয়াং বেনচিয়ান চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে আলতাফ হোসেন সেখ বলেন, দ্রুত চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে ব্রিজ সম্প্রসারণ কাজের গুণগত মান বজায় রেখে যথাযথভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। দেশের ক্রমবর্ধমান ট্রাফিক চাপ মোকাবিলা এবং উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের সঙ্গে সংযোগকারী অন্যতম প্রধান অবকাঠামো যমুনা সেতুর আধুনিকায়ন ও দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হবে।
তিনি আরও বলেন, যমুনা সেতু জাতীয় অর্থনীতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। রেল সংযোগ পৃথক হওয়ার পর অব্যবহৃত থাকা রেল লেনটি যানবাহন চলাচলের উপযোগী করে সংস্কার করা হবে। এতে সেতুর যান চলাচলের রাস্তা ৩ দশমিক ৫ মিটার বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি সেতুর ডেক সংস্কার ও প্রশস্তকরণের মাধ্যমে যানবাহনের ধারণক্ষমতা বাড়ানো এবং আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে মূল কাঠামোর সক্ষমতা বাড়ানো হবে, যাতে সেতুটি আরও দীর্ঘ সময় কার্যকরভাবে সেবা দিতে পারে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উন্নত মান বজায় রেখে সংস্কার কাজ শেষ হলে উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে যাতায়াত আরও নির্বিঘ্ন হবে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এমএইচএন/আরএফ
