বিজ্ঞাপন

হাটের ভিড় ছেড়ে খামারেই কোরবানির গরুর খোঁজ, চাহিদা ‘৭ জনের ভাগে’

হাটের ভিড় ছেড়ে খামারেই কোরবানির গরুর খোঁজ, চাহিদা ‘৭ জনের ভাগে’

চলতি মাসের শেষ দিকে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা। সে হিসেবে আর অল্প কিছুদিন বাকি আছে। এই উৎসবের প্রধান অনুষঙ্গ পশু কোরবানি।

কোরবানির পশু কিনে বাড়ি ফেরা, পথে ‘দাম কত হলো’ চিরচেনা জিজ্ঞাসা, দরদাম করে কেনা, সব মিলিয়ে ঈদের আগে পশুর হাটকে কেন্দ্র করে উৎসবের আমেজ বিরাজ করে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আনা গবাদিপশু আর ক্রেতা-বিক্রেতার সরব উপস্থিতিতে সরগরম হয়ে ওঠে এসব হাট। কিন্তু আবার অনেকেই হাটে হাজারো মানুষ ভিড়ভাট্টা, গবাদিপশুর সারি কিংবা বর্ষার কাদাপানি ভেঙে কোরবানির পশু বাছাই, কেনা বা দালাল দৌরাত্ম্যের ঝক্কি পোহাতে চান না। চান নির্ঝঞ্ঝাট কোরবানি। আর এসব ক্রেতারা এখন রাজধানীতে গড়ে ওঠা বিভিন্ন খামারে খামারে ঘুরছেন। দেখছেন কোরবানির গরু, জানছেন দাম, আবার পছন্দ হয়ে গেলে বুকিংও দিয়ে রাখছেন। পাশাপাশি ভাগে ৭ জন মিলে গরু কোরবানির ব্যবস্থাও রেখেছে এসব খামার কর্তৃপক্ষ। যে কারণে কিছুটা আগে থেকেই নির্ঝঞ্ঝাট কোরবানির আশায় খামারে খামারে ঘুরছেন গরুর ক্রেতারা।

বেশ কয়েকবছর ধরে রাজধানীর খামারগুলোতে এই ধরনের ক্রেতারা কোরবানির গরু কিনছেন নিয়মিত। যে কারণে খামার কর্তৃপক্ষের হাটে গরু বিক্রির চেয়ে খামারে গরু রেখেই বিক্রির প্রবণতা বেড়েছে। নির্দিষ্ট এই শ্রেণির ক্রেতারা হাটে না গিয়ে খামার থেকে এভাবেই কিনতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। এই প্রেক্ষিতে খামারিরাও টাকার বিনিময়ে বাড়তি সুবিধা দেন ক্রেতাকে, কোনো ক্রেতা ইচ্ছে করলে গরু কিনে নিজ বাড়িতে না এনে সেই খামারেই রেখে আসতে পারেন। ঈদের আগের দিন অথবা ঈদের দিন সকালে সেই খামারি ক্রেতার বাড়িতে কোরবানির গরু পৌঁছে দেন। রাজধানীর বাড়িতে কোরবানির গরু কয়েকদিনের জন্য রাখা খুবই বিড়ম্বনার, যে কারণে ক্রেতারা খামার থেকে গরু কেনাই বেছে নেন অনেকে।

dhakapost

রাজধানীর উত্তরার বাসিন্দা হাসিবুর রহমান, একজন ব্যবসায়ী। তিনি প্রায় ৭ বছর ধরে পরিবার সহ ঢাকায় ঈদ পালন করছেন। এর আগে ঈদ করতে গ্রামের বাড়ি পাবনায় যেতেন। এবার ঢাকায় ঈদ করবেন, তাই গরু কোরবানির জন্য একটু আগেই প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। কোরবানি কেনার অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, গতকাল দিয়াবাড়ি এলাকার এক খামারে গিয়েছিলামি, গরুর দরদামের বিষয়ে জানতে। আরও কয়েকটা খামারে যাবো। বিগত দুইবার থেকে ঢাকার গরুর হাটে আর যাইনা। ভিড়া-ভিড়ি, খুবই দরদাম, বাস্তবের সঙ্গে দামের ফারাক থাকে তাই হাটে গিয়ে গরু কেনা বাদ দিয়ে এখন খামার থেকেই কিনি।

খামার থেকে গরু কেনার ভালো দিকগুলোর যুক্তি তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রথমত ভিড় নেই, দাম হাটের চেয়ে বেশি নয়। পরিবারের সবাই মিলে খামারে গিয়ে ঘুরে গরু কেনা যায়। হাট শুরু হওয়ার আগেই ধীরে আস্তে, ঠান্ডা মাথায় গরু কেনা যায়। এরপর টেনশন ফ্রি। ঈদের আগের রাতে খামারিরা বাড়িতে গরু পৌঁছে দেয়। ঢাকা শহরে ভাড়া বাড়িতে কোরবানির গরু রাখা খুব কঠিন, অনেকে রাজিও হয় না। এছাড়া ঈদের দিন কোরবানির জন্য কসাই পাওয়াও খুব মুশকিল কাজ, ক্রেতারা চাইলে খামার কর্তৃপক্ষ গরু জবাই করে, মাংস তৈরি করে বাসায় পাঠিয়ে দেয়। গরু দেখে পছন্দ হলে স্কেলে ওজন করে নির্দিষ্ট দাম ধরে কেনার অপশনও আছে। তাই আমি এখন আর হাটে গিয়ে কোরবানির গরু কিনি না, খামারে গিয়ে পছন্দ করে বুকিং দেই, পরে দাম পরিশোধ করি। আর ঈদের আগের রাতে খামার কর্তৃপক্ষ বাসায় গরু পৌঁছে দেয়।

রাজধানীর উত্তরা সংলগ্ন দক্ষিণখানের মধুবাগ কেন্দ্রীয় গোরস্থান রোডে হাইজিনিক অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রি। এটি একটি গরুর খামার। খামারটির সংগ্রহে থাকা কোরবানির গরু ইতোমধ্যে ৮০ শতাংশই বিক্রি হয়ে গেছে। তারপরও প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে ক্রেতা আসছে, দরদাম জানছেন। কেউ আসছেন একা আবার কেউবা পরিবারের সদস্য সহ পছন্দ করে গরু বুকিং করে যাচ্ছেন।

dhakapost

খামারটির বর্তমান কার্যক্রম সহ সার্বিক বিষয় নিয়ে কথা হয় প্রতিষ্ঠানটির কাস্টমার ম্যানেজার আরিফিনের সঙ্গে। তিনি বলেন, আমাদের সার্ভিসের মধ্যে এবার সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছে সরিকানা বা ৭ জন মিলে ভাগে কোরবানির বিষয়টি। আমরা সব রেডি করে গ্রাহকের বাসায় পৌঁছে দেব।

তিনি বলেন, এ বছর প্রায় ৬০টি গরু ভাগে কুরবানির টার্গেট ছিল, ইতোমধ্যে আমাদের টার্গেট পূরণ হয়ে গেছে। এবার এই সার্ভিসটাতে অনেক ভালো সাড়া পেয়েছি। কাস্টমার সরাসরি তাদের ফ্যামিলিকে নিয়ে এসে অর্ডার করেছে, বুকিং করেছে। দুইটা প্যাকেজ থাকছে একটা প্রিমিয়াম অন্যটা স্ট্যান্ডার্ড। উনাদের সরাসরি গরু দেখে, ঈদের দিনে সরাসরি আমাদের এখানে এসে ওনারা কুরবানি উদযাপন করার সুযোগও পাবেন।

এসব গরু কি আপনারা এখানেই লালন-পালন করেছেন, না কি অন্য কোথাও থেকে এনে এখানে বিক্রি করছেন? জবাবে এই কাস্টমার ম্যানেজার বলেন, আমাদের লালন-পালন করা এসব। এখান থেকে ঢাকা শহরে আমাদের সেলস সেক্টর। এছাড়া আমাদের ঠাকুরগাঁয়ে বড় খামার আছে। আমাদের কাস্টমাররা সরাসরি যদি দেখে নিতে চায় নিতে পারে, চাইলে সরাসরি একটা গরু টোটাল মানে পুরা গরু আমাদের থেকে প্রসেসিং করে নিতে পারবেন। যদি কাস্টমার চায় যে মাংস রেডি করে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার সার্ভিসও আমরা রেখেছি।

কোন ধরনের ক্রেতারা এখন আসছেন? জবাবে তিনি বলেন, আলহামদুলিল্লাহ প্রতিদিন প্রচুর ক্রেতা আসছে। আগত ক্রেতাদের প্রায় ৮০ শতাংশ ক্রেতা এসে কনফার্ম করে যাচ্ছে। আবার অনেকে দাম, সার্ভিসের ধারণা নিতে আসছে, অনেকে বুকিং দিয়ে যাচ্ছে। আমাদের টোটাল যে কালেকশন আছে এর মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ গরু এখন সোল্ড আউট হয়ে গেছে। ক্রেতারা এখন প্রায় সব খামারগুলোতে ঘুরে ঘুরে দেখেছেন। সব কিছু মিলে গেলে কিনে ফেলছেন বা বুকিং দিচ্ছেন।

কোন ধরনের গরুর চাহিদা বেশি দেখাচ্ছে ক্রেতারা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা ধারণা করছি এবছর হাটে গরুর দাম বেশি যেতে পারে। কারণ গরুর লালন-পালন, খাওয়ানোর খরচ বেড়েছে। সেই সঙ্গে পরিববহন খরচও বেড়ে গেছে। তাই সব মিলিয়ে এবার গরুর বাজার বেশি যাওয়ার আশঙ্কা আছে। আমাদের এখানে সবচেয়ে বেশি চাহিদায় রয়েছে এক থেকে দেড় লাখ টাকার দামের গরুর। এছাড়া প্রথম দিকে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা দামের গরুও আমরা সব বিক্রি করে ফেলেছি।

dhakapost

এক থেকে দেড় লাখ টাকার গরুর ওজন আসছে ১৮০ থেকে ২০০ কেজি, আরও বেশি ওজনও হচ্ছে। অলরেডি আমাদের ওয়েবসাইট থেকে অনেকেই কনফার্ম করে ফেলেছে, অনেকে বুকিং করে রাখছে। পরে আবার অনেকে খামারে চলে আসছে। তবে খামারে এসে গরু দেখে কেনা কাস্টামারের সংখ্যাই বেশি।

রাজধানীর বেশ কিছু খামার ঘুরে দেখা গেছে, দেশি ও সাধারণ গরু ছাড়াও খামাগুলোতে রয়েছে সিন্ধি, শাহীওয়াল, ব্রাহমা, হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান, ক্রস সহ বেশ কিছু জাতের গরু। তবে ৯০ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকায় মধ্যে গরুগুলোই খামারে বেশি বিক্রি হচ্ছে। এরচেয়ে বড় গরু সাধারণ হাটে বিক্রি হবে বলে ধারণা করছেন খামারিরা।

রাজধানীর এলাকার নর্থ বেঙ্গল ডেইরি ফার্মের সেলস এক্সিকিউটিভ শাহরিয়ার আলমের কাছে খামারে ক্রেতাদের আগমন, চাহিদা বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের বেশ কিছু গরু ইতোমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে। প্রতিদিন বেশ ভালো পরিমাণে ক্রেতারা আমাদের এখানে আসছে। আমাদের এখানে সব লালন পালন করে বড় করা গরুই রয়েছে। ক্রেতারা এসে দরদাম জানছেন, অনেকে বুকিং দিচ্ছেন আবার অনেকে কনফার্ম করে পেইড করে দিচ্ছে। এ বছর ঈদের বেশ আগে থেকেই আমাদের ফার্মে ক্রেতারা আসতে শুরু করেছে। যারা খামার থেকে গরু কিনতে চায়, তারা এখন রাজধানীর সব খামারেই ঘুরে ঘুরে দেখছেন। দরদাম জানতে চাওয়া ক্রেতারা এখনও প্রচুর পরিমাণে আসছে।

তিনি বলেন, আমাদের এবারও সব ধরনের সার্ভিসই আছে। আমাদের এখান থেকে লাইভে স্কেলে মেপে গরু বিক্রি হচ্ছে, আবার খামারে এসে ক্রেতারা গরু কিনছে, বুকিং দিচ্ছে সেই সঙ্গে ভাগে গরু কোরবানি দেওয়া প্রচুর পরিমাণে কাস্টমার রয়েছে। আমাদের এখানে যারা এসে গরু কিনছে, বুকিং দিচ্ছে তাদের মধ্যে এক থেকে দেড় লাখ টাকার গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি।

রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকার হাইজিনিক অ্যাগ্রো ইন্ডস্ট্রি নামক গরুর খামার থেকে ৭ জনের সঙ্গে ভাগে একটি গরুর ভাগের জন্য টাকা পরিশোধ করেছেন বেসরকারি চাকরিজীবী আমিনুল ইসলাম। তার বাসা রাজধানীর খিলক্ষেত হলেও তিনি বিভিন্ন খামার ঘুরে দক্ষিণখানের এই খামারেই ৭ জনের ভাগে কোরবানির বুকিং দিয়েছেন।

তিনি বলেন, এবার ঈদে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছি না, গ্রামে তো একসঙ্গে ৭ জন মিলে গরু কোরবানি দেই, কিন্তু ঢাকায় তো একসঙ্গে কোরবানি দেওয়ার লোক আমার নেই। সে কারণে ভাগে গরুর কোরবানির সন্ধানে নামলে পরবর্তিতে বেশ কিছু খামারে এই সার্ভিসের খোঁজ পেলাম। সব জায়গাতেই মোটামুটি ১৮ হাজার টাকা থেকে ২৫ হাজার টাকার মধ্যে এক একটা ভাগ পাওয়া যাচ্ছে। সব দিকে ঘুরে  হাইজিনিক অ্যাগ্রো ইন্ডস্ট্রি নামক গরুর খামারের সার্ভিস,গরু এবং অফার ভালো লাগলো তাই এখানে একটা ভাগ কনফার্ম করে বুকিং দিলাম। এরা ঈদের দিন বাসায় মাংস পৌঁছে দিবে। চাইলে আমি উপস্থিত থেকে কোরবানি দেখতেও পারবো। এমন সার্ভিসটা আমাদের মতো মানুষদের জন্য খুব উপকারে এসেছে।

dhakapost

এদিকে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, তাদের হিসেবে এ বছর কুরবানির পশুর কোনো সংকট হবে না। বর্তমানে দেশে কুরবানিযোগ্য পশুর মোট সরবরাহ রয়েছে ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। এর বিপরীতে সম্ভাব্য চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি পশু। ফলে চাহিদার তুলনায় এবার বাজারে প্রায় ২২ লাখ ২৭ হাজার ৫০৬টি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে। এ বছর কুরবানিযোগ্য পশুর মধ্যে রয়েছে ৫৬ লাখ ৯৫ হাজার ৮৭৮টি গরু ও মহিষ, ৬৬ লাখ ৩২ হাজার ৩০৭টি ছাগল ও ভেড়া এবং ৫ হাজার ৬৫৫টি অন্যান্য প্রজাতির প্রাণী।

রাজধানীর খামারে খামারে কোরবানির গরু বিক্রি, বুকিং চললেও ঈদের আগের ৫ দিন ঢাকায় বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশুর হাটও বসবে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ১২টি এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বসবে আরও ১২টি অস্থায়ী পশুর হাট। এছাড়া গাবতলী (উত্তর) এবং সারুলিয়ায় (দক্ষিণ) দুটি স্থায়ী হাট রয়েছে, যেখানে বছরজুড়েই পশু বেচাকেনা হয়। স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে মোট ২৬টি স্পট থেকে রাজধানীবাসী এবার কোরবানির পশু কিনতে পারবেন ক্রেতারা।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ১২টি অস্থায়ী হাট বসানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। স্থানগুলো হলো– পোস্তগোলা শ্মশানঘাটের পশ্চিম পাশে নদীর পাড়ের খালি জায়গা, উত্তর শাহজাহানপুর মৈত্রী সংঘ ক্লাবের খালি জায়গা, রহমতগঞ্জ ক্লাবের খালি জায়গা, আমুলিয়া মডেল টাউনের খালি জায়গা, শ্যামপুর কদমতলী ট্রাক স্ট্যান্ডের খালি জায়গা, আফতাব নগর (ইস্টার্ন হাউজিং) ব্লক ই, এফ, জি, এইচ সেকশন-১ ও ২-এর খালি জায়গা, শিকদার মেডিকেল সংলগ্ন আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের খালি জায়গা, কাজলা ব্রিজ থেকে মাতুয়াইল মৃধাবাড়ী পানির পাম্প পর্যন্ত রাস্তার অব্যবহৃত জায়গা, দয়াগঞ্জ রেলক্রসিং থেকে জুরাইন রেলক্রসিং পর্যন্ত রাস্তার খালি জায়গা, মোস্তমাঝি মোড় সংলগ্ন গ্রিন বনশ্রী হাউজিংয়ের খালি জায়গা, ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাবের দক্ষিণ-পূর্ব পাশের খালি জায়গা এবং গোলাপবাগ আউটফল স্টাফ কোয়ার্টারের উত্তর পাশের খালি জায়গা।

অন্যদিকে গাবতলীর স্থায়ী হাট ছাড়াও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ১২টি অস্থায়ী হাট বসাবে। স্থানগুলো হলো— খিলক্ষেত বাজার সংলগ্ন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচের খালি জায়গা, মিরপুর সেকশন-৬, ওয়ার্ড নম্বর-৬ (ইস্টার্ন হাউজিং) খালি জায়গা, মিরপুর কালশী বালুর মাঠ (১৬ বিঘা), ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট সংলগ্ন খালি জায়গা, ২১ নম্বর ওয়ার্ডের মেরুল বাড্ডা কাঁচাবাজার সংলগ্ন খালি জায়গা, ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব হাজীপাড়া-ইকরা মাদ্রাসার পাশের খালি জায়গা, মোহাম্মদপুর বছিলার ৪০ ফুট রাস্তা সংলগ্ন খালি জায়গা।

এছাড়া উত্তরা দিয়াবাড়ী ১৬ ও ১৮ নম্বর সেক্টর সংলগ্ন বউবাজার এলাকা, ভাটুলিয়া সাহেব আলী মাদরাসা থেকে ১০ নম্বর সেক্টর রানাভোলা অ্যাভিনিউ সংলগ্ন উত্তরা রানাভোলা সুইসগেট পর্যন্ত (রাস্তা ব্যতীত) খালি জায়গা, ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাঁচকুড়া বাজার সংলগ্ন রহমান নগর আবাসিক এলাকা, খিলক্ষেত থানার ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের মস্তুল চেকপোস্ট সংলগ্ন পশ্চিম পাড়ার খালি জায়গা এবং ভাটারা সুতিভোলা খাল সংলগ্ন খালি জায়গায় অস্থায়ী পশুর হাট বসবে।

এএসএস/এমএন