সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন দেখতে সাধারণ মানুষ অভ্যস্ত হলেও, ঈদের আগে এসব প্ল্যাটফর্মের ফিডে এখন ভেসে উঠছে গরুর বিজ্ঞাপন, কোরবানির পশুর দরদাম ও লাইভ ওজন। বিস্তারিত জানতে ক্রেতাদের ক্লিক করতে বলা হচ্ছে বিভিন্ন লিংকে।
চলতি মাসের শেষ দিকে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা। উৎসবের প্রধান অনুষঙ্গ পশু কোরবানি। যারা হাটের হাজারও মানুষের ভিড়ভাট্টা, গবাদিপশুর দীর্ঘ সারি, বর্ষার কাদাপানি কিংবা দালালের দৌরাত্ম্যের ঝক্কি পোহাতে চান না, তাদের জন্য গত কয়েক বছর ধরে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে অনলাইনের পশুর হাট। ডিজিটাল প্রযুক্তির ছোঁয়ায় ঘরে বসেই ক্রেতারা দেখতে পাচ্ছেন কোরবানির পশুর রূপ, লাইভ ওজন ও দাম। পছন্দ ও বাজেট মিলে গেলে বুকিং নিশ্চিত করলেই ঈদের আগের দিন পশুখাদ্য ও যত্নের বিড়ম্বনা ছাড়াই সরাসরি গ্রাহকের বাড়িতে পৌঁছে যাচ্ছে গরু।
শুধু তা-ই নয়, যারা একা একটি পুরো গরু কিনতে পারছেন না বা পার্টনার পাচ্ছেন না, তাদের জন্য রয়েছে ‘শরিকানা’ অর্থাৎ সর্বোচ্চ সাত ভাগে কোরবানি দেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ। নিজের ভাগ বুকিং করলে ঈদের দিন নিয়ম মেনে কোরবানি শেষ করে, মাংস প্রস্তুত ও প্যাকেটজাত করে গ্রাহকের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নিচ্ছেন এসব অনলাইন হাটের উদ্যোক্তারা।

হাটের ঝক্কি-ঝামেলা এড়াতে রাজধানীজুড়ে জনপ্রিয় হচ্ছে অনলাইনের পশুর হাট। ‘লাইভ ওয়েট’ বা জীবন্ত ওজন মেপে পশুর রূপ ও দাম নির্ধারণের পাশাপাশি মধ্যবিত্তদের সুবিধার্থে খামারগুলোর চালু করা ‘শরিকানা’ বা সাত ভাগের কোরবানির প্যাকেজ এবার সবচেয়ে বেশি চাহিদা পেয়েছে
অনলাইনে পশু বিক্রি করা বিভিন্ন খামারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবারও ডিজিটাল হাটে বেশ ভালো সাড়া মিলেছে। তবে, পুরো গরু কেনার চেয়ে অনলাইনে সাত ভাগের বা শরিকানা কোরবানির চাহিদা এবার সবচেয়ে বেশি।
রাজধানীর বনশ্রী এলাকার বাসিন্দা ও বেসরকারি চাকরিজীবী মোতালেব হোসেন গত তিন বছর ধরে অনলাইনে গরু কিনছেন। নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘অনলাইনে গরু কেনার বেশকিছু ভালো দিক আছে। হাটের মতো দামের খুব বেশি হেরফের হয় না। সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, আগেভাগে কিনে খামারের তত্ত্বাবধানে রেখে দেওয়া যায়, বাসায় এনে লালন-পালনের ঝামেলা থাকে না। ঈদের আগের দিন বা ঈদের দিন সকালে তারা বাসায় পৌঁছে দেয়।’

তিনি আরও জানান, অনলাইনে গরুর ছবি-ভিডিও দেখে পছন্দ করার পর সশরীরে খামারে গিয়েও যাচাই করার সুযোগ থাকে। মোতালেব হোসেন বলেন, ‘ইতোমধ্যে আমি বেশ কয়েকটি অনলাইন প্রতিষ্ঠানে গরু দেখেছি, তবে এখনও কনফার্ম করিনি। দুই-চার দিনের মধ্যে কনফার্ম করে ফেলব। অনলাইনে গরুর চেহারা, আকার আকৃতি, ছবি-ভিডিওসহ দরদাম দেওয়া থাকে। আবার পছন্দ করার পর সশরীরের সেই অনলাইন প্রতিষ্ঠানের খামারে গিয়ে গরু দেখার সুযোগও থাকে। সবকিছু বিবেচনা করে কনফার্ম করা যায়।’
অনলাইন ক্রেতারা মাত্র ১০ শতাংশ অগ্রিম বুকিং মানি দিয়ে পশু নিশ্চিত করতে পারছেন। ঈদের দিন পর্যন্ত পশুর খাবার, যত্ন ও চিকিৎসার দায়িত্ব খামার কর্তৃপক্ষ বহন করাসহ কোরবানি শেষে সম্পূর্ণ ফ্রিতে মাংস প্রস্তুত ও হোম ডেলিভারির সুবিধা দেওয়ায় ক্রেতারা বেশ ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছেন
জনপ্রিয় হচ্ছে ‘লাইভ ওয়েট’ ও শরিকানা প্যাকেজ
অনলাইনে কোরবানির পশু কেনাবেচায় যারা অভ্যস্ত, তাদের কাছে ‘লাইভ ওয়েট’ শব্দটি বেশ পরিচিত। এর অর্থ হলো পশুকে জীবন্ত অবস্থায় ডিজিটাল স্কেলে মেপে কেজিপ্রতি ওজন ও মাংসের সম্ভাব্য পরিমাণ নির্ধারণ করা। বেঙ্গল মিট, বায়োমেড, হাইজেনিক অ্যাগ্রো, ফ্রেশি ফার্ম, নর্থ বেঙ্গল ডেইরি ফার্ম ও ছায়াবিথি অ্যাগ্রোসহ বেশকিছু সুপরিচিত প্রতিষ্ঠান দীর্ঘ দিন ধরে এই সেবা দিচ্ছে।
এবারও বেঙ্গল মিটের অনলাইন হাটে প্রচুর কালেকশন দেখা গেছে। তাদের ওয়েবসাইটে লাইভ ওজন দেখিয়ে একটি ৩২৫ কেজির লাল ষাঁড়ের দাম ধরা হয়েছে ২ লাখ ১০ হাজার টাকা। আবার ৫৫০ কেজির একটি কালো ষাঁড়ের দাম ডিসপ্লেতে দেখাচ্ছে ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। ইতোমধ্যে তাদের অনেক গরু ‘সোল্ড আউট’ (বিক্রি) হয়ে গেছে।
রাজধানীর উত্তরার দক্ষিণখান এলাকার ‘হাইজেনিক অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রি’-এর কাস্টমার ম্যানেজার আরিফিন ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘অনলাইন ও অফলাইন দুই মাধ্যমেই আমাদের বিক্রি ভালো। তবে, আমাদের সেবার মধ্যে এবার সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছে শরিকানা বা সাতজন মিলে ভাগে কোরবানির বিষয়টি। আমরা সবকিছু রেডি করে গ্রাহকের বাসায় পৌঁছে দেব। ৬০টি গরু ভাগে কোরবানির টার্গেট ছিল, যা ইতোমধ্যে পূরণ হয়ে গেছে। এখানে প্রিমিয়াম ও স্ট্যান্ডার্ড— দুটি প্যাকেজ রয়েছে।’

প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, চাহিদার তুলনায় এবার বাজারে প্রায় ২২ লাখের বেশি কোরবানিযোগ্য পশু উদ্বৃত্ত থাকবে। তবে, ডিজিটাল মাধ্যমের পাশাপাশি প্রথাগত ক্রেতাদের জন্য ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের অধীনে গাবতলী ও সারুলিয়াসহ মোট ২৬টি স্থায়ী-অস্থায়ী পশুর হাট বসার প্রস্তুতি চলছে
‘আমাদের ওয়েবসাইটে দাম-ওজনসহ গরুর ছবি, ভিডিও দেওয়া আছে। সেখান থেকে দেখে অনেকেই আমাদের কল করছেন, কিনছেন, আবার অনেকে লাইভ ওজনসহ গরু দেখতে চাচ্ছেন। আবার এমন অনেকে আছেন, অনলাইনে দেখে আবার আমাদের প্রতিষ্ঠানে সরাসরি চলে আসছেন।’
একইভাবে ভাটারা এলাকার ‘সেতারা ফার্ম’ জানিয়েছে, তাদের চারটি ভাগে কোরবানির প্যাকেজ চালু রয়েছে। প্যাকেজগুলোর মূল্য যথাক্রমে ১৮,৭৫০ টাকা, ২১,৮০০ টাকা, ২৩,১০০ টাকা এবং ২৬,৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর সঙ্গে গরুর কসাই চার্জ ও হোম ডেলিভারি সম্পূর্ণ ফ্রি রাখা হয়েছে।
উত্তরা দিয়াবাড়ির ‘রিভা ফার্মিং’ অনলাইনে কোরবানির পশু বিক্রি করছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যারা এখনও কোরবানির গরু বুকিং করেননি, তাদের জন্য থাকছে বিশেষ সুযোগ। রিভা ফার্মিংয়ের রাসায়নিক ও গ্রোথ হরমোনমুক্ত, সম্পূর্ণ সুস্থ, সবল ও অর্গানিক ২০০-এর বেশি গরুর বিশাল কালেকশন থেকে সীমিত স্টক শেষ হওয়ার আগেই ক্রেতারা তাদের পছন্দের পশুটি বেছে নিতে পারবেন। ইতোমধ্যে তাদের অধিকাংশ নিয়মিত গ্রাহক কাঙ্ক্ষিত গরুর প্রি-বুকিং নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, রাজধানীর ‘নর্থ বেঙ্গল ডেইরি ফার্ম’-এর সেলস এক্সিকিউটিভ শাহরিয়ার আলম বলেন, আমাদের বেশকিছু গরু ইতোমধ্যে অনলাইনে বিক্রি হয়ে গেছে এবং আমরা খুব ভালো সাড়াও পাচ্ছি। প্রতিদিন প্রচুর ক্রেতা সরাসরি খামারেও আসছেন। এখানে শতভাগ নিজস্ব তত্ত্বাবধানে লালন-পালন করা গরু রয়েছে। ক্রেতারা এসে দরদাম জানছেন, বুকিং দিচ্ছেন, আবার অনেকে পুরো টাকা পরিশোধ করে কনফার্ম করছেন।
নিজেদের বিশেষ উদ্যোগ সম্পর্কে শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘নর্থ বেঙ্গল ডেইরির অন্যতম বড় আকর্ষণ হলো— দেশি লাল ষাঁড় অনলাইনে লাইভ ওয়েটে বিক্রি করা। ডিজিটাল স্কেল মেশিনে ওজন মেপে কোরবানির পশু কেনাবেচা করা হলে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ই যেকোনো ধরনের প্রতারণা, লোকসান ও বিড়ম্বনা থেকে মুক্ত থাকেন। আমরা অনলাইন বিক্রির ক্ষেত্রে এই স্বচ্ছতা বজায় রাখছি।’

‘আমাদের রয়েছে কোরবানির জন্য নিজস্ব কসাই ও আধুনিক কসাইখানা। অ্যান্টিবায়োটিক, হরমোন ও ব্যথানাশক ইনজেকশনমুক্ত শতভাগ হালাল গরু ও খাসি সরবরাহ করছি আমরা। ক্রেতারা চাইলে মোট মূল্যের মাত্র ১০ শতাংশ পরিশোধ করেই পশু বুকিং করতে পারবেন। এছাড়া, বুক করা গরু কোরবানির আগের দিন পর্যন্ত আমাদের খামারেই রেখে লালন-পালন করার সুযোগ থাকছে; ফলে পশুর খাবার, গোসল ও চিকিৎসার বিড়ম্বনা থেকে ক্রেতারা সম্পূর্ণ মুক্ত থাকবেন। কোরবানির দিন বুকিংয়ের সিরিয়াল অনুযায়ী কোরবানি সম্পন্ন করা হবে।’
অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ভাগে কোরবানির জন্য ইতোমধ্যে বুকিং দিয়েছেন বাড্ডার বাসিন্দা ও বেসরকারি চাকরিজীবী কামাল উদ্দিন। নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ঢাকায় কোরবানির জন্য বিশ্বস্ত শরিক বা পার্টনার পাওয়া বেশ কঠিন। তাই যখন অনলাইনে ভাগে কোরবানি দেওয়ার নির্ভরযোগ্য সুযোগ দেখলাম, তখন খোঁজখবর নিয়ে বুকিং নিশ্চিত করলাম। আমার একটি ভাগের মূল্য পড়েছে ২২ হাজার টাকা। তারা নিজেরাই কোরবানি শেষে মাংস প্রস্তুত করে বাসায় পৌঁছে দেবে। আমাদের মতো ব্যস্ত মানুষদের জন্য অনলাইনে এই শরিকানা কোরবানির সার্ভিসটি সত্যিই দারুণ ও ঝামেলাহীন।’

এদিকে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারি হিসাব অনুযায়ী এ বছর কোরবানির পশুর কোনো সংকট হবে না। বর্তমানে দেশে কোরবানিযোগ্য পশুর মোট সরবরাহ রয়েছে ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। এর বিপরীতে সম্ভাব্য চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি পশু। ফলে চাহিদার তুলনায় এবার বাজারে প্রায় ২২ লাখ ২৭ হাজার ৫০৬টি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে। এ বছর কোরবানিযোগ্য পশুর মধ্যে রয়েছে ৫৬ লাখ ৯৫ হাজার ৮৭৮টি গরু ও মহিষ, ৬৬ লাখ ৩২ হাজার ৩০৭টি ছাগল ও ভেড়া এবং ৫ হাজার ৬৫৫টি অন্যান্য প্রজাতির প্রাণী।
রাজধানীতে পশুর হাটের জন্য নির্ধারণ ২৬ স্পট
প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদের আগের পাঁচ দিন ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ঐতিহ্যবাহী কোরবানির পশুর হাট বসবে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় ১২টি এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় ১২টি অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, গাবতলী (উত্তর) ও সারুলিয়ায় (দক্ষিণ) দুটি স্থায়ী হাট রয়েছে, যেখানে বছরজুড়েই গবাদিপশু বেচাকেনা হয়। ফলে স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে এবার মোট ২৬টি নির্দিষ্ট স্পট থেকে রাজধানীবাসী তাদের পছন্দের কোরবানির পশু কিনতে পারবেন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) ১২টি অস্থায়ী হাট বসানোর সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। নির্ধারিত স্থানগুলো হলো— পোস্তগোলা শ্মশানঘাটের পশ্চিম পাশে নদীর পাড়ের খালি জায়গা, উত্তর শাহজাহানপুর মৈত্রী সংঘ ক্লাবের খালি জায়গা, রহমতগঞ্জ ক্লাবের খেলার মাঠ ও খালি জায়গা, আমুলিয়া মডেল টাউনের খালি জায়গা, শ্যামপুর কদমতলী ট্রাক স্ট্যান্ডের খালি জায়গা, আফতাবনগর (ইস্টার্ন হাউজিং) ব্লক-ই, এফ, জি, এইচ-এর সেকশন-১ ও ২ এর খালি জায়গা, শিকদার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের খালি জায়গা, কাজলা ব্রিজ থেকে মাতুয়াইল মৃধাবাড়ী পানির পাম্প পর্যন্ত রাস্তার অব্যবহৃত অংশ, দয়াগঞ্জ রেলক্রসিং থেকে জুরাইন রেলক্রসিং পর্যন্ত রাস্তার পাশের খালি জায়গা, মোস্তফা মাঝি মোড় সংলগ্ন গ্রিন বনশ্রী হাউজিংয়ের খালি জায়গা, ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাবের দক্ষিণ-পূর্ব পাশের খালি জায়গা এবং গোলাপবাগ আউটফল স্টাফ কোয়ার্টারের উত্তর পাশের খালি জায়গা।
অন্যদিকে, গাবতলীর ঐতিহ্যবাহী স্থায়ী হাট ছাড়াও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) আরও ১২টি অস্থায়ী পশুর হাট বসাবে। নির্ধারিত স্থানগুলো হলো— খিলক্ষেত বাজার সংলগ্ন ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচের খালি জায়গা, মিরপুর সেকশন-৬, ওয়ার্ড নং-৬ (ইস্টার্ন হাউজিং) এর খালি জায়গা, মিরপুর কালশী বালুর মাঠ (১৬ বিঘা), ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট খেলার মাঠ সংলগ্ন খালি জায়গা, ২১ নম্বর ওয়ার্ডের মেরুল বাড্ডা কাঁচাবাজার সংলগ্ন খালি জায়গা, ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব হাজীপাড়া-ইকরা মাদ্রাসার পাশের খালি জায়গা, মোহাম্মদপুর বছিলার ৪০ ফুট রাস্তা সংলগ্ন খালি জায়গা, উত্তরা দিয়াবাড়ী ১৬ ও ১৮ নম্বর সেক্টর সংলগ্ন বউবাজার এলাকা, ভাটুলিয়া সাহেব আলী মাদ্রাসা থেকে ১০ নম্বর সেক্টর রানাভোলা অ্যাভিনিউ সংলগ্ন উত্তরা রানাভোলা স্লুইসগেট পর্যন্ত (মূল রাস্তা ব্যতীত) খালি জায়গা, ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাঁচকুড়া বাজার সংলগ্ন রহমান নগর আবাসিক এলাকা, খিলক্ষেত থানার ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের মস্তুল চেকপোস্ট সংলগ্ন পশ্চিম পাড়ার খালি জায়গা এবং ভাটারা সুতিভোলা খাল সংলগ্ন খালি জায়গা।
এএসএস/এমএআর/
