বিজ্ঞাপন

চামড়াশিল্পের জন্য আলাদা বোর্ড চায় ব্যবসায়ীরা

চামড়াশিল্পের জন্য আলাদা বোর্ড চায় ব্যবসায়ীরা

চামড়াশিল্পের জন্য একটি আলাদা বোর্ড গঠনের দাবি জানিয়েছেন এ খাতের ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি কাঁচা চামড়া সংরক্ষণে ঋণসুবিধা, রাসায়নিক দ্রব্য আমদানি সহজ করা ও সনদের প্রতিবন্ধকতা দূর করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

 শনিবার (২৩ মে) রাজধানীর পল্টনে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) মিলনায়তনে আয়োজিত এক সেমিনারে এসব দাবি জানানো হয়।

‘অস্তিত্ব সংকটে চামড়াশিল্প উত্তরণের উপায় অনুসন্ধান’ শীর্ষক সেমিনারটির আয়োজন করে লেদার ইন্ডাস্ট্রি ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ। সভায় চামড়া খাতের ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন সংস্থাটির আহ্বায়ক সাদাত হোসেন।

মূল বক্তব্যে সাদাত হোসেন বলেন, চা–শিল্পের জন্য চা বোর্ড আছে। বস্ত্র মন্ত্রণালয় আছে। কিন্তু চামড়া নিয়ে কোনো অভিভাবক সংস্থা নেই। তাই এ শিল্পের জন্য একটি জাতীয় চামড়া বোর্ড গঠন করা প্রয়োজন। ৪০ শতাংশের বেশি মূল্য সংযোজন করা হলেও এ খাতের প্রতি কোনো গুরুত্ব নেই। কিন্তু ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন করে পোশাক খাত ৯৭ শতাংশ প্রণোদনা নিচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, এদেশে সৎভাবে ব্যবসা করার সুযোগ নেই। আমরা সবাই মোনাফেক। এস আলমের মতো, সাবেক ভূমি মন্ত্রীর মতো ঋণ খেলাপি যারা হবে তারাই ভালো থাকবে। দেশের বেশিরভাগ ব্যবসা আমদানি নির্ভর৷ এ সমস্যা থেকে বের হয়ে আসতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের মন্ত্রণালয়ের প্রয়োজন নেই কিন্তু অন্তত একটা লেদার বোর্ড করে দেন। অন্তবর্তীকালীন সরকার ছিল একটা অথর্ব সরকার। কোটি কোটি টাকা খরচ করে বিনিয়োগ সম্মেলন করা হলো অথচ এক পয়সাও বিনিয়োগ আসেনি। পাঁচ তারকা হোটেলে বসে এসব ফর্মুলা দেওয়া বন্ধ করেন। আমরা সিঙ্গাপুর হতে চাইনা। একটি বাংলাদেশ চাই। ভিয়েতনামে ৫ শতাংশ সুদে চামড়া খাতের লোন দেওয়া হয় অথচ আমাদের দেশে এটা ১৪ শতাংশ। রপ্তানি খাতের জন্য আলাদা একটা তহবিল গঠন করা এখন সময়ের দাবি। 

অনুষ্ঠানে সনদের অসুবিধা দূর করতে বিশ্বব্যাংকের সহায়তা নিয়ে ট্যানারিগুলোতে ছোট ছোট ইটিপি করে দেওয়ার দাবি জানানো হয়। ২০ বছরের মধ্যে এসব ঋণ পরিশোধ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। পাশাপাশি স্কুলের বাচ্চাদের জন্য ব্যাগ ও চামড়ার জুতা বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব দেওয়া হয়।

এমএম/আরএফ