বিজ্ঞাপন

গাবতলীতে ২ লাখ টাকার নিচের গরু বিক্রি বেশি, ‘দাম কম’ বলছেন বিক্রেতারা

গাবতলীতে ২ লাখ টাকার নিচের গরু বিক্রি বেশি, ‘দাম কম’ বলছেন বিক্রেতারা

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানীর গাবতলীতে গবাদি পশুর হাটে জমে উঠেছে বেচাকেনা। তবে আজ (মঙ্গলবার) তুলনামূলকভাবে ২ লাখ টাকার নিচের গরুর চাহিদা ও বিক্রি বেশি দেখা যাচ্ছে। মধ্যবিত্ত ক্রেতারা সাধ্যের মধ্যে পশু কিনতে হাটে ভিড় করছেন। তবে হাটে গরুর দাম গত বছরের তুলনায় অনেকটাই কম বলে দাবি করছেন বিক্রেতারা।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে রাজধানীর গাবতলীতে গবাদি পশুর হাট ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, রাজধানীর সবচেয়ে বড় গবাদি পশুর হাট গাবতলীতে ছুটির দিনের সকাল থেকেই গরু বিক্রি ছিল দেখার মতো। হাটে বড় গরুর তুলনায় ছোট ও মাঝারি গরুর ক্রেতাই বেশি। ৪ থেকে ৭ মণ ওজনের গরু বিক্রি বেশি হচ্ছে। সকালে ১ লাখ ২০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকার গরু বেশি বিক্রি হতে দেখা যায়।

এদিকে, গাবতলী গবাদি পশুর হাটে গত রোববার (২৪ মে) চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ২৭টি গরু নিয়ে হাটে আসেন ব্যবসায়ী রবিউল হোসেন। এর মধ্যে ২০টি গরু বিক্রি করেছেন বলে জানান তিনি। তার একটি সাড়ে তিন মণ ওজনের গরু বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার টাকায়।

dhakapost

রবিউল হোসেন বলেন, এবার গরুর দাম তুলনামূলক কম। খাবার ও পরিবহন খরচ অনেক বেশি হওয়ায় লাভ তো দূরের কথা, অনেক গরুতেই লোকসান হচ্ছে। একটি গরুতে প্রায় ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত লস হবে।

হাটে গরু কিনতে আসা সুমন মিয়া জানান, তিনি রাজধানীর নতুনবাজার এলাকা থেকে ভোরে গাবতলী হাটে এসেছেন। তিনি ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা দিয়ে প্রায় ৬ মণ ওজনের কালো রঙের একটি গরু কিনেছেন।

শ্যামলী থেকে আসা শামসুর রহমান জানান, দুটি গরু ৬ লাখ ৬০ হাজার টাকায় কিনেছেন। পরিবারের সদস্যদের পছন্দ অনুযায়ী পশু কিনেছেন বলে জানান তিনি।

সরেজমিনে দেখা যায়, হাটে ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর সামনে ক্রেতাদের ভিড় বেশি। বিক্রেতারাও বলছেন, বেশি দামের গরুর তুলনায় কম দামের গরুই দ্রুত বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতাদের দাবি, ক্রেতা থাকলেও কাঙ্ক্ষিত দাম মিলছে না। পরিবহন ও খাবারের খরচ বাড়ায় অনেকেই আশঙ্কা করছেন, এবার গরু বিক্রি করে লাভের বদলে লোকসান গুনতে হতে পারে।

কল্যাণপুর থেকে আসা রফিকুল ইসলাম বলেন, ১ লাখ ২০ হাজারে চার মণ ওজনের কালো ও সাদা রঙের গরু কিনেছেন। তার ভাষ্যমতে, এবার গাবতলী গবাদি পশুর হাটে দাম কিছুটা কম। দামাদামি করে কিনতে হবে।

এমএসআই/এসএএস/জেডএস