অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও ক্রিপ্টোকারেন্সি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিদেশে পাচারের অভিযোগে তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
রোববার (৭ জুন) টাঙ্গাইল সদর ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন— মো. সোলায়মান (৪৭), মো. সাগর মিয়া (২৮) ও মো. জুয়েল রানা (৩২)।
সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি) নিয়মিত সাইবার মনিটরিংয়ের সময় দেশের অভ্যন্তর ও বিদেশ থেকে পরিচালিত বিভিন্ন অনলাইন বেটিং ও জুয়ার ওয়েবসাইটের কার্যক্রম শনাক্ত করে। এসব সাইটে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস, ব্যাংক হিসাব ও ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করা হচ্ছিল।
তিনি বলেন, তদন্তে দেখা গেছে অনলাইন জুয়ার জন্য দেশের বিভিন্ন এলাকায় এজেন্ট নিয়োগ করা হয়েছিল। অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে সংগৃহীত অর্থ থেকে কমিশন কেটে রেখে বাকি অর্থ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও ক্রিপ্টোকারেন্সি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হতো।
জসীম উদ্দিন খান আরও বলেন, মামলার তদন্তে অনলাইন জুয়ার প্ল্যাটফর্মে ব্যবহৃত একটি এজেন্ট নম্বরের সূত্র ধরে সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত করা হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন স্থান থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা অনলাইন বেটিং কার্যক্রমে ব্যবহৃত এজেন্ট সিম ও আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছে সিআইডি। তারা অর্থের বিনিময়ে বিভিন্ন এজেন্ট সিম সংগ্রহ ও সরবরাহ করতেন, যা অনলাইন জুয়ার অর্থ জমা ও উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত হতো।
সিআইডির এই কর্মকর্তা বলেন, অনলাইন জুয়ার নেটওয়ার্ক, অবৈধ ই-ট্রানজেকশন, অর্থপাচার কার্যক্রম এবং এ চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
এসএএ/এমএন
