বিজ্ঞাপন

লন্ডনে ইউডব্লিউএস শিক্ষার্থী উন্নয়ন পুরস্কার পেলেন দুই বাংলাদেশি

লন্ডনে ইউডব্লিউএস শিক্ষার্থী উন্নয়ন পুরস্কার পেলেন দুই বাংলাদেশি

ইউডব্লিউএস কর্মসংস্থান ও শিক্ষার্থী উন্নয়ন পুরস্কার ২০২৬-এ স্বেচ্ছাসেবা ও নেতৃত্বের স্বীকৃতি স্বরুপ যুক্তরাজ্যের স্বনামধন্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইউনিভার্সিটি অব দ্য ওয়েস্ট অব স্কটল্যান্ড (ইউডব্লিউএস)-এর লন্ডন ক্যাম্পাসে আয়োজিত শিক্ষার্থী কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়ন পুরস্কার-২০২৬ অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবা, নেতৃত্ব, পরামর্শদান এবং সামাজিক উন্নয়নে অসামান্য অবদানের জন্য সম্মানিত হয়েছেন দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী। তারা হলেন আব্দুর রহিম ও জাহিদুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে অন‍্যান‍্য দেশের শিক্ষার্থীদের মধ‍্যে পুরস্কার লাভ করেন নেপালের মুক্তি ঘালে, পাকিস্তানের কাসিম সাঈদ ও আসাদ ইমতিয়াজ স্বেচ্ছাসেবী স্বীকৃতি পুরস্কার অর্জন করেন।

অপরদিকে নিয়োগদাতা-পরামর্শক কর্মসূচিতে সাফল্যের জন্য রাশিদ নুরালিয়েভ এবং ভারতের রাহুল কুমার রাজকারান সম্মাননা লাভ করেন।

বুধবার (১০ জুন) লন্ডন ক‍্যাম্পাসে অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন ক্যারিয়ার ও কর্মসংস্থান ব্যবস্থাপক ড. স্টিফেন ওয়াট। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক র‍্যাচেল ক্র্যাগ।

অনুষ্ঠানে আব্দুর রহিম নেতৃত্বভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবী স্বীকৃতি পুরস্কার এবং জাহিদুল ইসলাম সাধারণ স্বেচ্ছাসেবী স্বীকৃতি পুরস্কার লাভ করেন।

পুরস্কার গ্রহণের পর আব্দুর রহিম বলেন, অর্থ উপার্জনের প্রয়োজন সবারই থাকে। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি সমাজ ও মানুষের জন্য কিছু সময় ব্যয় করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আমি সচেতনভাবেই স্বেচ্ছাসেবাকে বেছে নিয়েছি। আজকের এই সম্মাননা প্রমাণ করে যে মানুষের জন্য করা ভালো কাজ কখনো হারিয়ে যায় না।

তিনি আরও বলেন, স্বেচ্ছাসেবা আমার কাছে কোনো শখ নয়; এটি আমার ব্যক্তিত্ব ও জীবনদর্শনের অংশ।

একই অনুষ্ঠানে জাহিদুল ইসলামও স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ডে অবদানের জন্য সম্মানিত হন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের উভয়ের সাফল্যের প্রশংসা করে বলেন, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা শুধু লেখাপড়ায় নয়, স্থানীয় সমাজের উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।

আব্দুর রহিম ও জাহিদুল ইসলামের এই অর্জন যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য গর্বের এক মাইলফলক। তাদের এই স্বীকৃতি প্রমাণ করে যে নেতৃত্ব, স্বেচ্ছাসেবা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করার মানসিকতা একদিন অবশ্যই সম্মানিত হয়।

অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে মতবিনিময় ও সৌহার্দ্য সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বিজ্ঞাপন