বিজ্ঞাপন

ইলেকট্রিক যানবাহন উৎপাদনে শুল্ক-কর ছাড়ের প্রস্তাব

ইলেকট্রিক যানবাহন উৎপাদনে শুল্ক-কর ছাড়ের প্রস্তাব

জীবাশ্ম জ্বালানি নির্ভর পরিবহনের বিকল্প হিসেবে দেশে পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক গাড়ি (ইভি) উৎপাদন ও যন্ত্রাংশ স্থানীয়ভাবে তৈরি উৎসাহিত করতে শুল্ক-কর রেয়াতি সুবিধা দেওয়া হবে বলে বাজেট প্রস্তাবে জানানো হয়েছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, চার চাকা ও তিন চাকার ইলেকট্রিক যানবাহনের বডি তৈরি, ওয়েল্ডিং, পেইন্টিং এবং অ্যাসেম্বলিংয়ের মাধ্যমে যেসব প্রতিষ্ঠান স্থানীয়ভাবে উচ্চ মূল্য সংযোজন করবে, তাদের ক্ষেত্রে উপকরণ ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে ৩ শতাংশ আমদানি শুল্ক ব্যতীত সকল প্রকার শুল্ক-কর মওকুফের প্রস্তাব করা হয়েছে।

অন্যদিকে, পার্টস সংযোজন ও পেইন্টিং কার্যক্রমের মাধ্যমে তুলনামূলকভাবে কম মূল্য সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক ব্যতীত অন্যান্য সব শুল্ক-কর মওকুফের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

এছাড়া, স্থানীয় ইলেকট্রিক বাস ও ট্রাক উৎপাদনকারী শিল্পের উপকরণ ও কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে ৫ শতাংশের অতিরিক্ত ভ্যাট এবং অন্যান্য সব ধরনের শুল্ক-কর সম্পূর্ণ অব্যাহতির প্রস্তাব করা হয়েছে।

এসব রেয়াতি সুবিধা ২০৩১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল রাখার সুপারিশ করা হয়েছে।

২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ব্যবধান দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। বাজেটের বিশাল এই ঘাটতি পূরণে সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক-দুই উৎস থেকেই অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে।

এমএইচএন/ওএফএ/জেডএস

বিজ্ঞাপন