চট্টগ্রামে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে কুকুর ও বিড়ালসহ বিভিন্ন প্রাণীর কামড় ও আঁচড়ে আক্রান্তের সংখ্যা। কামড় বা আঁচড়ের পর জলাতঙ্ক রোগ এড়াতে গত পাঁচ বছরে এ জেলায় ভ্যাকসিন গ্রহণকারীর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় চার গুণ।
সম্প্রতি স্থানীয় সরকারি হাসপাতালগুলেতে এ টিকার সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে টিকার উচ্চমূল্য মেটাতে গিয়ে দিশেহারা হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। শহর থেকে গ্রামে, সর্বত্র কুকুরের কামড় ও আঁচড়জনিত ঘটনা বাড়ছে। বিপরীতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে টিকা না পেয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন আক্রান্তরা।
চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে যেখানে ৫ হাজার ১৬৯ জন এমন আক্রান্ত চিকিৎসা নিয়েছেন, ২০২৫ সালে তা বেড়ে ৭ হাজার ৬৩ জনে দাঁড়িয়েছে। চলতি ২০২৬ সালের প্রথম চার মাসে (জানুয়ারি থেকে এপ্রিল) আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৭৫২ জন।
চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের পরিসংখ্যান বলছে, কুকুরে কামড়ে আক্রান্ত রোগীর বাড়তি চাপের কারণে গত পাঁচ বছরে সেখানে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী ভ্যাকসিন গ্রহণকারীর সংখ্যা প্রায় চার গুণ বেড়েছে। অনেক রোগী সরকারি হাসপাতালে জায়গা না পেয়ে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হচ্ছেন।
আরও পড়ুন
চট্টগ্রাম শহরের বাইরে গ্রামীণ ও উপকূলীয় জনপদে এখন কুকুর-বিড়ালের কামড় বা আঁচড়ের সংখ্যা বাড়ছে। উপজেলাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উদ্বেগজনক চিত্র দেখা গেছে সীতাকুণ্ডে, যেখানে গত পাঁচ বছরে আক্রান্তের সংখ্যা ৮৯ থেকে বেড়ে ৩৬৪ জনে দাঁড়িয়েছে, যা শতকরা হিসাবে ৩০৮ দশমিক ৯ শতাংশ বৃদ্ধি। একই সময়ে বাঁশখালীতে আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ২১৬ থেকে বেড়ে ২ হাজার ২১৬ জনে এবং পটিয়ায় ২২০ থেকে বেড়ে ৩৯২ জনে পৌঁছেছে। উপকূলীয় অঞ্চল সন্দ্বীপেও আক্রান্তের হার ৫২ দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, কুকুরের পাশাপাশি বিড়াল, শিয়ালসহ অন্যান্য প্রাণীর মাধ্যমেও জলাতঙ্ক ছড়াতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে বাসাবাড়িতে পোষা প্রাণী, বিশেষ করে কুকুর ও বিড়াল পালনের প্রবণতা বেড়েছে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই নিয়মিত টিকাদান ও যথাযথ পরিচর্যার অভাবে এসব প্রাণীর আক্রমণে মানুষ জলাতঙ্কের ঝুঁকিতে পড়ছেন। তাই পোষা প্রাণীর নিয়মিত টিকাদান এবং আক্রান্ত হলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করছেন বিশেষজ্ঞরা।

চিকিৎসকরা জানান, অনেকেই প্রথমে বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিয়ে স্থানীয় চিকিৎসা বা ঝাড়ফুঁকের ওপর নির্ভর করেন। ফলে হাসপাতালে আসতে দেরি হওয়ায় মৃত্যুঝুঁকি বেড়ে যায়। একবার জলাতঙ্কের উপসর্গ (ক্লিনিক্যাল লক্ষণ) দেখা দিলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রোগীকে বাঁচানো সম্ভব হয় না। অবশ্য চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক অতীতে জলাতঙ্কে মৃত্যুর রেকর্ড নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ১৬ লাখ ৬৮ হাজার কুকুর রয়েছে। প্রতি বর্গকিলোমিটারে কুকুরের গড় ঘনত্ব ১২ দশমিক ৮৩টি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কুকুরের উচ্চ ঘনত্বের কারণেই মানুষ ও কুকুরের সংস্পর্শ এবং কামড়ের ঘটনা বাড়ছে।
আন্তর্জাতিক চিকিৎসাবিজ্ঞান সাময়িকী ‘দ্য ল্যানসেট রিজিওনাল হেলথ-সাউথইস্ট এশিয়া’-তে ২০২৪ সালে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, কুকুরের গণ-টিকাদান ও মানুষের মধ্যে প্রতিষেধক ব্যবহারের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে জলাতঙ্ক নির্মূলের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে রয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনও গত ১০ জুন জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে দাবি করেছেন, দেশে ভ্যাকসিনের কোনো সংকট নেই। তিনি জানান, ইতোমধ্যে সারা দেশে ৫ লাখ ৫৮ হাজার ৭০০ ডোজ অ্যান্টি-র্যাবিস ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনে আরও সরবরাহের প্রস্তুতি রয়েছে।

তবে মন্ত্রীর এই আশ্বাসের বিপরীতে মাঠপর্যায়ে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভার দৌলতপুর এলাকায় দুটি কুকুরের কামড়ে গত ১ ও ২ জুন নারী ও শিশুসহ ১৯ জন আহত হন। আক্রান্তদের মধ্যে ৫ জন স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিলেও বাকি ১৪ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠাতে হয়।
আক্রান্তদের স্বজনদের অভিযোগ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী ভ্যাকসিনের তীব্র সংকট থাকায় তাদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। টিকার প্রয়োজনীয় মজুত না থাকায় বাধ্য হয়েই তাদের দূরবর্তী হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিতে হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা হাসানুল করিম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গত দুই দিনে এলাকায় দুটি কুকুরের কামড়ে ১৯ জন আহত হলেও সরকারি হাসপাতালে কোনো ভ্যাকসিন পাওয়া যায়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এই সংকটের কারণে আহতদের কয়েকজনকে বাধ্য হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিতে হয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, সরকারি সরবরাহ ছাড়াও বেশ কয়েকটি বেসরকারি কোম্পানি দেশে রেবিস ভ্যাকসিন বাজারজাত করছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, সিনোভিয়া ফার্মা পিএলসি (সানোফি বাংলাদেশ)-এর ভেরোর্যাব, পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের র্যাবিভ্যাক্স, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের র্যাবিক্স-ভিসি এবং নোভার্টিস বাংলাদেশ লিমিটেডের র্যাবিপুর। এসব ব্র্যান্ডের মধ্যে ভেরোর্যাব অন্যতম দামি ভ্যাকসিন হলেও র্যাবিভ্যাক্স ও র্যাবিক্স-ভিসি তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যায়। এমনকি কিছু অনলাইন ফার্মেসিতে ডিসকাউন্ট মূল্যে ভেরোর্যাব প্রায় ৮৩৮ থেকে ৮৫০ টাকায় বিক্রি হতেও দেখা গেছে।
চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় জানিয়েছে, মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত সরবরাহের বাইরেও বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অতিরিক্ত ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের মতে, উপজেলা পর্যায়ে রোগীর চাপ ও প্রয়োজনের ধরন ভিন্ন হওয়ায় ভ্যাকসিনের স্থানীয় চাহিদা একেক এলাকায় একেক রকম হয়ে থাকে।
চট্টগ্রামে বছরে আনুমানিক ৩৫ থেকে ৪০ হাজার মানুষ রেবিস (জলাতঙ্ক) প্রতিরোধী টিকা গ্রহণ করেন। একজন রোগীর সাধারণত তিন থেকে চারটি ডোজ প্রয়োজন হয়। ফলে বছরে মোট চাহিদা এক লাখেরও বেশি ডোজে পৌঁছায়
চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় চাহিদা বিবেচনায় জেলার ১৫টি উপজেলায় জলাতঙ্ক প্রতিরোধী ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ফটিকছড়ি ও পটিয়ায় সর্বোচ্চ ৯০টি করে এবং হাটহাজারী, রাঙ্গুনিয়া, চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ায় ৭০টি করে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মিরসরাই, সীতাকুণ্ড ও বাঁশখালীতে ৮০টি করে; রাউজান, আনোয়ার ও লোহাগাড়ায় ৬০টি করে; সন্দ্বীপ ও বোয়ালখালীতে ৫০টি এবং কর্ণফুলী উপজেলায় ২০টি ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হয়েছে।
এদিকে জলাতঙ্ক প্রতিরোধে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নগরজুড়ে মানবিক ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পথকুকুরকে টিকাদান কার্যক্রম চালাচ্ছে। চলতি বছরে ৪১টি ওয়ার্ডে পর্যায়ক্রমে ১৫ হাজারের বেশি পথকুকুরকে এই টিকার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংস্থাটি কুকুর নিধনের পরিবর্তে এই আধুনিক সুরক্ষা ব্যবস্থার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
নগরের বাইরেও ১৫টি উপজেলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিডিসি টিমের তত্ত্বাবধানে টিকাদান কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রথম দফার কার্যক্রমের মাধ্যমে গড়ে লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৭০ শতাংশ কুকুরকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে চসিক।
আনোয়ারা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সমরঞ্জন বড়ুয়া ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘পালিত কুকুর ও বিড়ালকে টিকা দেওয়ার বিষয়ে আমরা মানুষকে উৎসাহিত করছি। পাশাপাশি বেওয়ারিশ কুকুরকেও ভ্যাকসিনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। তবে শতভাগ কভারেজ নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। সরকারিভাবে সব হিংস্র প্রাণীকে টিকার আওতায় আনা গেলে জলাতঙ্ক নির্মূল করা সম্ভব হবে।’

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ইমাম হোসেন রানা ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘বেওয়ারিশ কুকুরকে নিয়মিত টিকাদানের আওতায় আনতে চসিক কাজ করছে। তবে জনবল ও অন্যান্য সীমাবদ্ধতার কারণে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। প্রতি ছয় মাস অন্তর এসব কুকুরকে টিকা দেওয়া গেলে জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণে তা অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘জলাতঙ্ক নির্মূলে কুকুরের পাশাপাশি বিড়াল, শিয়াল ও অন্যান্য হিংস্র প্রাণীকেও পর্যায়ক্রমে টিকাদানের আওতায় আনতে হবে। প্রাণিসম্পদ বিভাগ, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ও জনসাধারণের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এই রোগ নির্মূল করা সম্ভব নয়।’
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চট্টগ্রামে বছরে আনুমানিক ৩৫ থেকে ৪০ হাজার মানুষ রেবিস প্রতিরোধী টিকা গ্রহণ করেন। একজন রোগীর সাধারণত তিন থেকে চারটি ডোজ প্রয়োজন হয়। ফলে বছরে মোট চাহিদা এক লাখেরও বেশি ডোজে পৌঁছায়।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামে বছরে প্রায় এক থেকে দেড় লাখ ডোজ ভ্যাকসিনের প্রয়োজন হয়।
চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালে সেখানে ২৩ হাজার ৯৮৩ জনকে রেবিস ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে ফৌজদারহাট বিআইটিআইডি হাসপাতালে প্রায় ১৩ হাজার মানুষ এই টিকা নিয়েছেন। ২০২৫ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, শুধু চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালেই মাসিক চাহিদা প্রায় দুই হাজার ভায়াল হলেও সরবরাহ পাওয়া যায় মাত্র ৩০০ থেকে ৫০০ ভায়াল।
চট্টগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আলমগীর ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের সমন্বয়ে সরকার জলাতঙ্ক প্রতিরোধে ভ্যাকসিন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৫ হাজার কুকুরকে টিকা দেওয়া হয়েছে। জেলার কয়েকটি উপজেলাতেও এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। সব কুকুর এবং জলাতঙ্ক ছড়াতে পারে এমন প্রাণীকে টিকার আওতায় আনতে পারলে রোগটি নির্মূল করা সম্ভব।’
চট্টগ্রাম জেলা ডেপুটি সিভিল সার্জন তৌহিদুল আনোয়ার ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং টিকাদান কর্মসূচির আওতায় শতভাগ কুকুরকে না আনতে পারাই আক্রান্ত বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। জলাতঙ্ক এমন একটি রোগ, যার উপসর্গ দেখা দিলে প্রায় শতভাগ ক্ষেত্রেই মৃত্যু ঘটে। তাই প্রতিরোধই একমাত্র উপায়। সরকার স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়াচ্ছে এবং হাসপাতালে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন সরবরাহ নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে চাহিদা পূরণ করা গেলে সরকারি হাসপাতালে যে কেউ যে কোনো সময় ভ্যাকসিন পাবেন। এ নিয়ে হয়রানির কোনো সুযোগ থাকবে না।’
এনামুল হক নাবিদ/এমএসএ
