স্বামীর স্বীকৃতি চেয়ে ঢাকা কলেজের আবাসিক এলাকায় অবস্থান নিয়েছেন এক তরুণী। তার দাবি, দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পর ঢাকা কলেজের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। তবে বর্তমানে ওই শিক্ষার্থী বিয়ের বিষয়টি অস্বীকার করছেন এবং যোগাযোগ এড়িয়ে চলছেন।
অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর নাম পারভেজ। তিনি ঢাকা কলেজের ২০১৯–২০ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী, ম্যানেজমেন্ট বিভাগে অধ্যয়নরত এবং ফরহাদ হোসেন হলের আবাসিক ছাত্র বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী হিসেবে পরিচয় দেওয়া তরুণীর নাম লাকি আক্তার। তার গ্রামের বাড়ি ঠাকুরগাঁও জেলার মালেগাঁও কাশীডাঙ্গা এলাকায়। তিনি রাজশাহী কলেজ থেকে অনার্স সম্পন্ন করেছেন বলে জানিয়েছেন।
তরুণীর দাবি, তাদের মধ্যে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল এবং উভয়ের পরিবারের বাড়ি ঠাকুরগাঁও জেলায় হওয়ায় পরিচয়ের সূত্রে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে তারা কোর্ট ম্যারেজ করেন।
নিজের দাবির সমর্থনে তরুণী একটি নোটারি পাবলিকের ‘বিবাহের হলফনামা’ উপস্থাপন করেছেন। নথিতে দুজনের পারস্পরিক সম্মতি, দীর্ঘদিনের পরিচয় এবং বিবাহসংক্রান্ত ঘোষণা উল্লেখ রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তবে ওই নথির সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে তরুণী বলেন, ‘আমাদের মধ্যে বিয়ে হয়েছে। কিন্তু এখন সে বিষয়টি অস্বীকার করছে। বিষয়টির সুরাহার আশায় আমি বাড়ি থেকে ঢাকায় এসেছি।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত পারভেজের বক্তব্য জানতে তাৎক্ষণিকভাবে তার ব্যবহৃত ফোন নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া গেছে। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় ঢাকা কলেজ প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট কোনো কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাত সাড়ে নয়টায় ভুক্তভোগী তরুণী নিউমার্কেট থানায় অবস্থান করছিলেন।
আরএইচটি/এমটিআই
