নৌপথে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত এবং নৌযানের আইনগত ও কারিগরি মান যাচাইয়ের লক্ষ্যে ঢাকা সদরঘাট থেকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা পর্যন্ত নৌপথে চলাচলরত বালিবাহী নৌযানের বিরুদ্ধে বিশেষ পরিদর্শন ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে নৌপরিবহন অধিদপ্তর। অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে ৯টি নৌযানকে মোট ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) বেলা ১১টা থেকে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর মো. শফিউল বারীর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানকালে মোট ১১টি বালিবাহী নৌযান সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়। পরিদর্শনে অধিকাংশ নৌযানের বাস্তব পরিমাপের সঙ্গে নিবন্ধনপত্রে উল্লেখিত পরিমাপের অসামঞ্জস্যতা দেখা যায়। এছাড়া বেশ কয়েকটি নৌযানে বাধ্যতামূলক জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জাম (লাইফ সেভিং অ্যাপ্লায়েন্স) ও নেভিগেশনাল ইকুইপমেন্টের ঘাটতি দেখা যায়, যা নৌ নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।
অভিযানে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লুসিকান্ত হাজং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। বিভিন্ন অনিয়মের কারণে ৯টি নৌযানকে সর্বমোট এক লাখ ৭০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
এ সময় মহাপরিচালক কমডোর মো. শফিউল বারী বলেন, নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিবন্ধনবিহীন, অননুমোদিতভাবে পরিবর্তিত এবং নিরাপত্তা সরঞ্জামবিহীন নৌযানের বিরুদ্ধে অধিদপ্তরের তদারকি ও আইনগত ব্যবস্থা চলমান থাকবে। তিনি নৌযান মালিক ও পরিচালকদের সব বিধি-বিধান মেনে নৌযান পরিচালনার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, যাত্রী ও নৌপথ ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তার স্বার্থে এ ধরনের পরিদর্শন ও ভ্রাম্যমাণ আদালত কার্যক্রম ভবিষ্যতেও নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।
অভিযানকালে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের চিফ ইঞ্জিনিয়ার অ্যান্ড শিপ সার্ভেয়ার মির্জা সাইফুর রহমানসহ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এসএইচআর/আরএফ/জেডএস
