শিক্ষার্থীদের আধুনিক প্রযুক্তি, বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ হয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।
একই সঙ্গে তিনি পরিবেশ সংরক্ষণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাকে পরস্পরের পরিপূরক উল্লেখ করে টেকসই পরিবেশ ব্যবস্থাপনাকে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে অভিহিত করেন।
শনিবার (২০ জুন) রাজধানীর রামপুরায় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ অধ্যয়ন বিভাগের ‘ব্যাচেলর অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট (বিডিএম)’ কর্মসূচির উদ্যোগে আয়োজিত ‘বিল্ডিং ফিউচার লিডারস ফর আ সেফার অ্যান্ড মোর রেজিলিয়েন্ট ওয়ার্ল্ড’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অন্যতম জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশ দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি ও সহনশীলতার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি, কমিউনিটি স্বেচ্ছাসেবক নেটওয়ার্ক, আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা এবং আশ্রয়কেন্দ্র ব্যবস্থাপনার ফলে দেশে দুর্যোগজনিত মৃত্যুহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেবল দুর্যোগ-পরবর্তী প্রতিক্রিয়ার বিষয় নয়। বরং এটি মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় আগাম প্রস্তুতি, ঝুঁকি হ্রাস এবং সহনশীল সমাজ গড়ে তোলার একটি সমন্বিত প্রক্রিয়া।
তিনি বলেন, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী সরকার, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস, জলবায়ু অভিযোজন ও মানবিক সহায়তা বিষয়ে দক্ষ জনশক্তির চাহিদা অনুভব করছে।
কর্মশালায় প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ অধ্যয়ন বিভাগের ডিন অধ্যাপক ড. ফুয়াদ এইচ. মালিক, বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ইমন চৌধুরী, ইউনেস্কো বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. সুসান ভাইজ এবং প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর কবিতা বোস।
এএইচআর/বিআরইউ
