বিজ্ঞাপন

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি

জাতীয় বাজেটে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়ন, বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং অর্থবছরের কাঠামো পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছে অ্যাগ্রিকালচারিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ (এএফবি)।

শনিবার (২০ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সভায় বক্তারা এ দাবি জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মোল্লা বলেন, উন্নয়ন বাজেটের মাত্র ১০ থেকে ১২ শতাংশ প্রথম ছয় থেকে সাত মাসে ব্যয় হলেও অর্থবছরের শেষ দিকে তড়িঘড়ি করে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ ব্যয় করার প্রবণতা প্রকল্পের মান ক্ষুণ্ন করে।

অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, চলতি অর্থবছরে সামগ্রিক বাজেট প্রায় ১৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেলেও কৃষি বাজেট বেড়েছে মাত্র এক দশমিক দুই শতাংশ, যা মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় প্রকৃতপক্ষে কমেছে। ২০১১ থেকে ২০১২ অর্থবছরে মোট বাজেটের ১০ দশমিক ৬৫ শতাংশ কৃষি খাতে বরাদ্দ থাকলেও, গত বছর তা ছয় শতাংশে এবং এবার পাঁচ শতাংশে নেমে এসেছে।

তিনি আরও বলেন, গত ১৫ বছরে কৃষি ঋণের পরিমাণ বেড়ে প্রায় ৩৯ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছালেও এটি দেশের মোট ঋণের মাত্র দুই শতাংশ। এছাড়া মাত্র ২২ শতাংশ কৃষক কৃষি ঋণের আওতায় রয়েছেন। চীন ও ভিয়েতনাম কৃষি জিডিপির তিন থেকে পাঁচ শতাংশ গবেষণায় ব্যয় করলেও বাংলাদেশে এ হার মাত্র শূন্য দশমিক চার শতাংশ।

কৃষিবিদ ড. শহিদুল্লাহ শরীফ বলেন, প্রাণিসম্পদ খাতের জন্য মোট বাজেটের মাত্র শূন্য দশমিক ২৯ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর প্রোটিন চাহিদা পূরণে যথেষ্ট নয়। পোল্ট্রি খাতে বর্তমানে উৎপাদন খরচ প্রতি কেজি প্রায় ২১০ টাকা হলেও বাজারে মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৮০ টাকায়। ফলে খামারিদের প্রতি কেজিতে লোকসান গুনতে হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এএফবির মহাসচিব কৃষিবিদ শেখ মুহাম্মদ মাসুদ, সভাপতি ড. এটিএম মাহবুব-ই-ইলাহ, কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. মো. মিজানুর রহমান প্রমুখ।

ওএফএ/জেআই/এমএন

বিজ্ঞাপন