জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) উদ্যোগে কেন্দ্রীয় অ্যাডভোকেসি ওরিয়েন্টেশন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ (বৃহস্পতিবার) নগর ভবন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এই সভায় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সভায় জানানো হয়, আগামী ২৮ জুন অনুষ্ঠাতব্য জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের আওতায় ঢাকা দক্ষিণ করপোরেশন এলাকায় মোট ৫ লাখ ৯০ হাজার ৫৩৮ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী ১ লাখ ৩৫ হাজার ৬০৬ জন শিশুকে একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (১,০০,০০০ আইইউ)। ১২-৫৯ মাস বয়সী ৪ লাখ ৫৪,৯৩২ জন শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (২,০০,০০০ আইইউ) খাওয়ানো হবে।
২৮ জুন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ডিএসসিসি এলাকার ১ হাজার ৭৬০টি কেন্দ্রে একযোগে এই কার্যক্রম চলবে। মাঠপর্যায়ে কর্মসূচি সফল করতে প্রায় ৩,৬৫৪ জন স্বেচ্ছাসেবক এবং ১৫০ জন সুপারভাইজার নিয়োজিত থাকবেন।
ডিএসসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহানে ফেরদৌস বিনতে রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তারা ভিটামিন ‘এ’-এর গুরুত্ব তুলে ধরেন।
ডা. জাহানে ফেরদৌস বলেন, ভিটামিন ‘এ’ শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, অন্ধত্ব প্রতিরোধ এবং শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই জাতীয় কর্মসূচি সফল করতে গণমাধ্যমসহ সব অংশীজনের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন।
সভায় আশ্বস্ত করা হয় যে, সরকারের সরবরাহকৃত ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত পরীক্ষাগারে পরীক্ষিত এবং শিশুদের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ। এ বিষয়ে কোনো ধরনের গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান না দিয়ে, নির্ধারিত সময়ে শিশুদের নিকটস্থ কেন্দ্রে নিয়ে এসে ক্যাপসুল খাওয়াতে অভিভাবকদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হয়।
এএসএস/আরএফ/এনএফ
