বিজ্ঞাপন

তুরাগ থেকে মরদেহ উদ্ধারের প্রচারিত তথ্য বিভ্রান্তিকর, দাবির সত্যতা নেই

তুরাগ থেকে মরদেহ উদ্ধারের প্রচারিত তথ্য বিভ্রান্তিকর, দাবির সত্যতা নেই

ঢাকার তুরাগ নদী থেকে একাধিক মরদেহ উদ্ধারের দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে বিভ্রান্তিকর উল্লেখ করে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। 

পুলিশের দাবি, ডিএমপির আওতাধীন তুরাগ, পল্লবী ও রূপনগর থানা এলাকায় এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ, জিডি বা মামলাও হয়নি।

রোববার (২৮ জুন) বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেন।

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুরাগ নদী থেকে ধারাবাহিকভাবে মরদেহ উদ্ধারের যে তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, তা গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করেছে ডিএমপি। অনুসন্ধানে এসব দাবির কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।

ফারুক হোসেন জানান, উত্তরা বিভাগের আওতাধীন তুরাগ থানা এলাকায় এ ধরনের কোনো মৃতদেহ উদ্ধার বা হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেনি। একইসঙ্গে এ বিষয়ে থানায় কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ, সাধারণ ডায়েরি (জিডি) কিংবা মামলাও দায়ের হয়নি।

তিনি আরও বলেন, মিরপুর ক্রাইম ডিভিশনের আওতাধীন পল্লবী ও রূপনগর থানার ভৌগোলিক সীমানাও পর্যালোচনা করা হয়েছে। সেখানে প্রচারিত ঘটনার সঙ্গে ওই দুই থানার কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতেও এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ বা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করার মতো তথ্য নেই।

যুগ্ম পুলিশ কমিশনার বলেন, বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ পুলিশের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকেও এরইমধ্যে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।

গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়া প্রচার, বিশ্বাস বা শেয়ার না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের অপপ্রচার সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণ হতে পারে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গুজবটি প্রথমে ডিএমপির আওতাধীন এলাকায় ডিএমপির অংশগ্রহণে ঘটেছে বলে প্রচার করা হয়েছিল। যদিও এর সঙ্গে ডিএমপির কোনো থানা বা ইউনিটের সংশ্লিষ্টতা নেই। আমরা যতটুকু জেনেছি, আমিনবাজার নৌ পুলিশ একটি মরদেহ করেছে। তারা দারুসসালাম থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করেছে। সেটি নৌ পুলিশের অধিক্ষেত্র। 

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা শুধু ডিএমপির আওতাধীন এলাকার কথা বলতে পারি। ডিএমপিতে এরকম কিছু ঘটেনি। ডিএমপির বাইরের কোনো তথ্য সম্পর্কে আমি বলবো না।

জেইউ/জেডএস

বিজ্ঞাপন