চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন বলেছেন, কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ (বাম) তীরে নগর সম্প্রসারণের পথে বিদ্যমান সব বাধা অপসারণ করা হবে। ৫১০টি প্লট নিয়ে গড়ে ওঠা সিডিএ কর্ণফুলী হাউজিং সোসাইটির উন্নয়নে সার্বিক সহযোগিতা করবে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। মহানগরীর তীব্র আবাসন সংকট নিরসনে এ প্রকল্পটি জরুরি ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।
সোমবার (২৯ জুন) বিকেল ৩টায় সিডিএ চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে সিডিএ কর্ণফুলী হাউজিং সোসাইটির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন, ‘ওয়ান সিটি, টু টাউন’ পরিকল্পনার আওতায় কর্ণফুলী নদীর দুই তীরের বাকলিয়া ও কর্ণফুলী এলাকা চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) এবং সিডিএর আওতাভুক্ত। তবে কর্ণফুলী টানেলে টোল ব্যবস্থার কারণে নদীর দুই পাড়ের বাসিন্দাদের জন্য বসবাস ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে এবং নগর সম্প্রসারণও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। নগরায়ণের স্বার্থে এ প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা করা হবে।
এ সময় প্লট মালিক কল্যাণ সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং জামে মসজিদ নির্মাণ কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট জিয়া হাবীব আহসান বলেন, সিডিএর একটি মহল কর্ণফুলী হাউজিং প্রকল্পে সিভিল এভিয়েশনের প্রতিবন্ধকতা নিয়ে গুজব ছড়িয়ে এবং নকশা অনুমোদনে জটিলতা সৃষ্টি করে দীর্ঘদিন ধরে প্রকল্প বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি করে আসছে।
তিনি আরও বলেন, ৩৩ বছরের পানি সংকট নিরসনে প্লট মালিকরা সিডিএর সহায়তায় নিজস্ব অর্থায়নে ওয়াসার ভাণ্ডারজুড়ি প্রকল্প থেকে পানি সংযোগ নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন। এ উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়নে সিডিএ চেয়ারম্যানের আন্তরিক হস্তক্ষেপ ও সহযোগিতা কামনা করা হয়।
সভায় সিডিএ চেয়ারম্যান সমিতির নেতাদের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং প্রতিটি সমস্যা সমাধানে ভুক্তভোগীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
এ সময় প্লট মালিক সমিতির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন— জামে মসজিদ নির্মাণ কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট জিয়া হাবীব আহসান, সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ এয়াছিন, সহ-সম্পাদক সাইফুল হুদা, অর্থ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সেলিম, প্রচার সম্পাদক সাইফুজ্জামান রাফি এবং নির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্যরা।
এমআর/এসএএস/এমএন
