বাংলাদেশ দূতাবাস, লিবিয়া সরকার এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় লিবিয়া থেকে ১৭৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।
প্রত্যাবাসিতরা বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে মঙ্গলবার সকাল ৫ টায় ঢাকায় পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে ১১১ জন ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার এবং ৬৩ জন বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন।
রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মো. হাবীব উল্লাহ ত্রিপলীর মেতিগা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রত্যাবাসিত অভিবাসীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদেরকে বিদায় জানান।
রাষ্ট্রদূত প্রত্যাবাসন কার্যক্রমে সহযোগিতার জন্য লিবিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও আইওএম-এর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান এবং ভবিষ্যতেও এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
প্রত্যাবাসনকালে রাষ্ট্রদূত অভিবাসীদের প্রি-ডিপার্চার ব্রিফিং প্রদান করেন। এ সময় তিনি তাদের অভিজ্ঞতার কথা শোনেন এবং প্রত্যাবাসন-পরবর্তী বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি সকলকে নতুনভাবে জীবন শুরু করার আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রদূত অনিয়মিত অভিবাসনের ফলে সৃষ্ট দুর্ভোগ এবং আর্থিক ও মানসিক ক্ষতির বিষয়গুলো অন্যদের কাছে তুলে ধরে সচেতনতা সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখার জন্য অভিবাসীদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি ভবিষ্যতে নিয়মিত ও বৈধ পথে বিদেশ গমনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ ছাড়া, মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে সহযোগিতা এবং বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদানের জন্য প্রত্যাবাসিতদের প্রতি আহ্বান জানান।
এনআই/এমটিআই
