রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটনকে গুলি করে হত্যার সোয়া দুই মাসেও খুনিদের শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ।
তদন্তে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে টিটনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার না হওয়া। যে কারণে হত্যার আগে কার সঙ্গে কী ধরণের যোগাযোগ ছিল টিটনের, কে বা কারা ঘটনাস্থলে ডেকে নিয়েছিল তাকে? অথবা শেষ মুহূর্তে টিটনের ওপরে নজরদারি বা গতিবিধি লক্ষ্য করছিল কারা? এসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মেলাতেও পারছে না ডিবি পুলিশ।
চলতি বছরের ২৮ এপ্রিল রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় পুলিশের খাতায় নথিভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটনকে।
এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে পুরোনো আধিপত্যের জেরে শীর্ষ সন্ত্রাসী চক্রের জড়িত থাকার তথ্য উঠে এসেছে পুলিশে তদন্তে। মামলার এজাহারেও গরুর হাটের ইজারার দ্বন্দ্বের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা পুলিশ সদস্যরা বলছেন, নিউমার্কেটের বটতলা এলাকায় তাকে ডেকে আনা হয়। সেখানেই আগে থেকে ওৎপেতে থাকা কিলাররা খুব কাছ থেকে গুলি করে টিটনকে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পরদিন (২৯ এপ্রিল) সকালে মামলা করেন বড়ভাই খন্দকার সাঈদ আক্তার রিপন। নিউমার্কেট থানায় করা এ মামলায় কাউকে আসামি করা হয়নি। তবে সন্দেহভাজন হিসেবে পিচ্চি হেলাল ও তার সহযোগী বাদল ওরফে কিলার বাদল, শাহজাহান ও রনি ওরফে ড্যাগারি রনিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ৮-৯ জনকে আসামি করা হয়। মামলাটি তদন্ত করছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের(ডিবি) রমনা বিভাগ।
তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, মোহাম্মদপুরের বছিলা পশুর হাটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমামুল হাসান হেলাল ওরফে পিচ্চি হেলালের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছিলেন টিটন। সেই দ্বন্দ্বের মীমাংসার কথা বলেই ডেকে নিয়ে টিটনকে পিচ্চি হেলালের সদস্যরা হত্যা করেছে কি-না, তা তদন্ত করছে ডিবি পুলিশ।
শুধু পিচ্চি হেলাল নন, টিটন হত্যাকাণ্ডে সন্দেহের তালিকায় রয়েছে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনও। তবে এখন পর্যন্ত সরাসরি হত্যায় অংশ নেওয়া শ্যুটারসহ কাউকে গ্রেপ্তার করতে না পারায় হত্যার সঙ্গে কে বা কারা জড়িত, নেপথ্যের পরিকল্পনাকারীই বা কে? সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারছে না তদন্তকারীরা। সন্দেহের মধ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছে তদন্ত।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, টিটন গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর থানার খাপুরা এলাকার বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন কারাগারে থাকার পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর, ১২ আগস্ট কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান। এরপর ঢাকার হাজারীবাগের সুলতানগঞ্জ এলাকার একটি বাসায় বসবাস শুরু করেন।
এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, টিটন অতীতে পরিবারের আর্থিক ক্ষতির জন্য অনুশোচনা প্রকাশ করে বড় ভাইয়ের সঙ্গে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন। তিনি নতুন করে ব্যবসা শুরু করার চেষ্টা করছিলেন এবং একটি গরুর হাটের ইজারা (শিডিউল) কেনার কথা জানান।
মামলার অভিযোগপত্রে টিটন হত্যার নেপথ্যে গরুর হাটের ইজারা (শিডিউল) নিয়ে বিরোধকে দায়ী করা হয়েছে। ইজারা নিয়ে ইমামুল হাসান হেলাল (পিচ্চি হেলাল), বাদল (কিলার বাদল/কাইল্লা বাদল), শাজাহান ও রনিসহ (ভাঙারি রনি) কয়েকজনের সঙ্গে টিটনের বিরোধ তৈরি হয়।
টিটনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ঘিরে থমকে আছে তদন্ত
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত কার্যক্রম জোরদার করা হলেও টিটনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
ডিবি পুলিশের দাবি, টিটনকে হত্যায় অংশ নেওয়া দুই কিলারের মুখে মাস্ক ছিল। শ্যুটারের মাথায় ক্যাপ এবং পরনে ছিল সাদা শার্ট। মূল শ্যুটার টিটনের মাথা, কপাল ও ঘাড়সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছয়টি গুলি করে। এরপর টিটনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি নিয়ে মোটরসাইকেল নিয়ে অপেক্ষায় থাকা আরেকজনের সঙ্গে চলে যায়।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে টিটন হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক(এসআই) ইরফান খান ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমরা যেহেতু কোনো ফুটেজ পাইনি এবং তারা হেলমেট পরিহিত ছিল এবং যেহেতু আমরা ভিকটিমের মোবাইলটাও ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করতে পারিনি, যেহেতু তারা হত্যার পরে ঘটনাস্থল থেকে মোবাইলটা নিয়ে গেছে, সেজন্য আমাদের কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে।
রায়েরবাজার পর্যন্ত ফুটেজ, এরপর মিলিয়ে যায় কিলাররা
টিটনকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর পর দ্রুতই মোটরসাইকেলে উঠে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে দুই কিলার। তাদের দুজনই ছিল মুখে মাস্ক ও মাথায় ক্যাপ পরিহিত।
সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তদন্তকারীরা মোহাম্মদপুর সেকশন-৩ অর্থাৎ রায়েরবাজার পর্যন্ত খুনিদের মুভমেন্ট বা পালানোর উপস্থিতির ফুটেজ পেয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ। এরপর তারা কোন পথে পালিয়েছে, সেটি আর শনাক্ত করা যায়নি।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে টিটন তদন্ত কর্মকর্তা ইরফান খান বলেন, খুনিরা মোটরসাইকেলে মোহাম্মদপুরের দিকে গেছে, এটি নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে রায়েরবাজারের পর তাদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, ভিকটিমের মোবাইল নিয়ে যাওয়া, মাস্ক ও হেলমেট পরিহিত অবস্থায় সিসিটিভি ক্যামেরাকে ফাঁকি দিয়ে হাওয়া হয়ে যাওয়া-সব মিলিয়ে এটা স্পষ্ট যে, শতভাগ সূক্ষ্ম পরিকল্পিত মার্ডার। এটা বলার কোনো অবকাশ নাই। অন্যান্য স্বাভাবিক মার্ডার মামলা এতদিন লাগে না, কিন্তু এটাতে আমাদের একটু সময় লেগে যাচ্ছে।
আধিপত্য নাকি অস্ত্র ব্যবসার দ্বন্দ্ব, কী কারণে খুন হলো টিটন?
তদন্তসংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, মামলার এজাহারে কোরবানির পশুর হাটের ইজারা নিয়ে বিরোধের বিষয়টি উল্লেখ থাকলেও তদন্তে অস্ত্র ব্যবসা ও অপরাধী নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।
তাদের ভাষ্য, টিটন ছিলেন শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনের শ্যালক। তবে দীর্ঘদিন ধরেই দুজনের মধ্যে অস্ত্র ব্যবসা ও বিভিন্ন এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। পাশাপাশি পিচ্চি হেলালের সঙ্গেও টিটনের পুরোনো শত্রুতা ছিল। ফলে এই দুই পক্ষের যে–কোনো একটি হত্যাকাণ্ডের পেছনে থাকতে পারে বলে ধারণা তদন্তকারীদের।
এ মামলায় এখন পর্যন্ত কাউকে আসামি করা হয়নি। তবে সন্দেহভাজন হিসেবে পিচ্চি হেলাল, সহযোগী বাদল ওরফে কিলার বাদল, শাহজাহান ও রনি ওরফে ড্যাগারি রনির নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের নাম তদন্তেও এসেছে।
এ ব্যাপারে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ইরফান খান বলেন, টিটন হত্যায় এখন পর্যন্ত কোনো আপডেট দিতে পারছি না। আমরা এটা নিয়ে কাজ করছি। যেহেতু জানেন যে, এখানে এজহার নামীয় কোনো আসামি ছিল না। এজাহারে সন্দেহভাজন হিসেবে চারজনের কথার সম্পৃক্ততার কথা বলা হয়েছে। যারা অধিকাংশ সময়ই জনসম্মুখে খুবই কম থাকে। তাদেরকে আমরা ট্রেস আউট করার জন্য সর্বোচ্চ প্রকারের চেষ্টা করা হচ্ছে এবং কিছুটা আমরা হয়ত কাছাকাছি আছি। এটার জন্য আমাদেরকে একটু সময় দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এটার সঙ্গে বিভিন্ন ইস্যু জড়িত থাকতে পারে। সেটা হয়ত আপনারাও জানেন। কিন্তু আমরা প্রত্যেক বিষয় দেখছি। এই মামলায় তো সন্দিগ্ধ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাদেরকে ট্রেস আউট করা খুবই টাফ।
ব্যবসায়ী বাবর এলাহী হত্যা মামলায় ২০ বছর জেলে ছিল টিটন
২০০১ সালে সরকার ঘোষিত ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকায় দুই নম্বরে থাকা টিটন ছিলেন দেশের অপরাধজগতের পরিচিত নাম। ১৯৯০-এর দশকের শুরুর দিকে স্থানীয় অপরাধী চক্রের মাধ্যমে অপরাধ জগতে প্রবেশ করে টিটন ধীরে ধীরে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন। একাধিক হত্যাকাণ্ডে নেতৃত্ব দেওয়া ছাড়াও তিনি, অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছিলেন। তার বিরুদ্ধে বহু হত্যা মামলা ছিল, যার মধ্যে ব্যবসায়ী বাবর এলাহী হত্যা অন্যতম।
১৯৬৬ সালে জন্ম নেওয়া টিটনের বাবা কে এম ফখরুদ্দিন এবং মা আকলিমা বেগম। ২০০৪ সালে ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হওয়ার পর ২০১৪ সালে বাবর এলাহী হত্যা মামলায় তিনি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হন। তবে ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান।
৫ আগস্ট-এর পর সন্ত্রাসী গ্রুপের আধিপত্যের দ্বন্দ্ব শুরু
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর একে একে কিলার আব্বাস, আরমান, ইমন, পিচ্চি হেলাল, টিটন, ফ্রিডম রাসুসহ শীর্ষ সন্ত্রাসীরা জামিনে মুক্তি পেলে আবারও তারা বিবাদে জড়িয়ে পড়ে। শীর্ষ সন্ত্রাসীদের মধ্যে আধিপত্যের জেরে গত দেড় বছরে বেশ কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
পুলিশের তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, গত বছরের ১০ নভেম্বর বেলা পৌনে ১১টার দিকে পুরান ঢাকার ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের সামনে প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয় পুলিশের এক সময়ের তালিকাভুক্ত ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ তারিক সাঈফ মামুনকে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যার নেপথ্যে ছিল ১৯৯৯ সালে খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ এলাকায় গাড়িতে ব্রাশফায়ার করে মোহাম্মদপুরের আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী জোসেফ আহমেদের ভাই টিপু হত্যার জের। টিপু কিলিং মিশনে অংশ নিয়েছিল শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমন, টিটন, লেদার লিটন ও মামুনসহ ৬ জন।
একই সময়ে ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অশ্রু এই ইমন বাহিনীর হাতে খুন হন। এছাড়া গুলশানের ট্রাম্প ক্লাবে চলচ্চিত্র নায়ক সোহেল চৌধুরীকে গুলি করে হত্যা করে ইমন বাহিনী।
দীর্ঘদিন কারাগারে থেকে টিটন ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান। এরপর তিনি অপরাধজগতে নিজের পুরোনো প্রভাব ফেরানো ও নেটওয়ার্ক পুনর্গঠনের চেষ্টা করেন বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধারণা।
২০২৪ সালের নভেম্বরে রাজধানীর হাজারীবাগ থানায় এক ইন্টারনেট ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির ঘটনায় করা মামলায় টিটনকেও আসামি করা হয়। এ মামলায় তার দুই ভাইকেও আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে মামলায় টিটনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।
'টিটনকে ভগ্নিপতি ইমন হত্যা করেছে'- মানে না পরিবার
পুলিশের আরেক সূত্রের দাবি, জেল থেকে বের হওয়ার পর শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি হেলালের সঙ্গে যোগ দিয়েছিল টিটন। এ নিয়ে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজেদুল হক ইমনের সাথে দ্বন্দ্ব চলছিল। টিটন সাজেদুল হক ইমনের ছোট বউ নীলার বড় ভাই। তবে মামলায় সন্দেহভাজনের তালিকাতেও নেই শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনের নাম।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে শুক্রবার (১০ জুলাই) সন্ধ্যায় টিটনের বড় ভাই ও মামলার বাদী সাঈদ আক্তার রিপন ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমাকে একবার ঢাকায় ডেকে নিয়েছিল ডিবি পুলিশ। আমার কাছে যতোটুকু তথ্য ছিল দিয়েছি। এখন পুলিশের কাজ জড়িত খুনি ও পরিকল্পনাকারীদের গ্রেপ্তার করা। আমি আস্থা রাখতে চাই, ডিবি পুলিশ সেটা পারবে।
টিটনকে ভগ্নিপতি ইমন হত্যা করেছে, তা বিশ্বাস করেন না উল্লেখ করে এর আগে রিপন ঢাকা পোস্টকে বলেছিলেন, আমাদের সঙ্গে ইমনের ভালো সম্পর্ক, যোগাযোগ আছে। ইমন টিটনকে হত্যা করবে এটা আমরা পারিবারিকভাবেই বিশ্বাস করি না। মামলায় অভিযুক্তদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশের কাজ তদন্ত করে পরিকল্পনাকারীসহ হত্যাকারীদের খুঁজে গ্রেপ্তার করে শাস্তি নিশ্চিত করা।
ডিএমপি’র অতিরিক্ত কমিশনার(ডিবি) শফিকুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক, সব ধরনের উপায়ে চেষ্টা চলছে। সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হলে মূল খুনীদের সম্পর্কে তথ্য মিলত। আশা করছি শিগগিরই এ ব্যাপারে ভালো খবর দিতে পারব।
জেইউ/জেআই
